স্ট্রিম সংবাদদাতা

বান্দরবানের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১১ ছাত্র ও পাঁচ কর্মচারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্রদের পরীক্ষায় পাস করানো এবং অস্থায়ী চাকরি স্থায়ী করার প্রলোভন দেখিয়ে কর্মচারীদের এই নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এদিকে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে দুই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও দুই অভিভাবক লিখিত অভিযোগ দিলে লাপাত্তা আছেন মো. সিরাজুল ইসলাম নামের ওই শিক্ষক।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও বক্তব্য অনুযায়ী, সিরাজুল নিজের বিশ্রাম কক্ষে ডেকে নিয়ে তাদের যৌন নির্যাতন করতেন। পরে শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য করতেন।
এছাড়া, ৫ কর্মচারী বলছেন, নির্ধারিত অফিস সময়ের পর সন্ধ্যায় প্রধান শিক্ষক নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করতেন। বাধা দিলে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার ভয় দেখাতেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অষ্টম শ্রেণির ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে জানায়, ভয় ও লজ্জায় সে প্রথম দিকে পরিবারকে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগের পর ডিসির কাছে বিস্তারিত জানিয়েছে।
নবম শ্রেণির আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেছে, লজ্জা ও শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য হয় সে।
ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে পড়ালেখায় একটু দুর্বল। নবম শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষায় সে পাঁচটি বিষয়ে খারাপ করায় তাকে দশম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি পরামর্শ দেন, তিনি নিজেই ছাত্রকে পড়াবেন। সেই অনুযায়ী ছেলেকে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শিক্ষকের কাছে পড়াতে পাঠাই। এতে ভালো করলে তাকে দশম শ্রেণিতে উন্নীত করার আশ্বাস দেন ওই শিক্ষক।’
ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থীর দাদা বলেন, ‘গত ৮ ফেব্রুয়ারি নাতিকে নিয়ে আমি প্রধান শিক্ষকের কাছে যাই। ঘণ্টা খানিক পর প্রধান শিক্ষকের কক্ষ থেকে বের হয়ে এলে নাতির চেহারায় আতঙ্ক ও ভয় দেখতে পাই।’
১০ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সময় মানবাধিকারকর্মী ডনাই প্রু নেলীও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘দরিদ্র পরিবারের দুর্বল ছাত্রদের টার্গেট করতেন তিনি।’
এই প্রতিবেদক ৩ কর্মচারীসহ ১০ ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছেন।
বিদ্যালয়ের অস্থায়ী এক কর্মচারী অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্ধারিত অফিস সময়ের পর সন্ধ্যায় নিজের কক্ষে ডেকে প্রধান শিক্ষক দরজা-জানালা বন্ধ করে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন। বাধা দিলে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার ভয় দেখান। আমার মতো আরও কয়েকজন কর্মচারী একই ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।’
বিদ্যালয়ের অস্থায়ী অফিস সহায়ক শিল্পী রানী দে বলেন, ‘স্কুল ছুটির পর একাধিক শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডেকে গেট তালাবদ্ধ রাখা হতো। বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানালে আমাকে “ছোট কর্মচারী” বলে চুপ থাকতে বলা হয়। পরে অভিভাবকদের অবহিত করার কারণে নোটিশ ছাড়াই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।’
এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ যাওয়ার পর তাঁকে পুনর্বহাল করা হয়।
ওই বিদ্যালয়ের মুশফিকুর রহমান নামে এক শিক্ষক বলেন, ‘পাঁচজন অস্থায়ী কর্মচারীর কাছ থেকে আমরা প্রথমে প্রধান শিক্ষকের নির্যাতনের বিষয়গুলো জেনেছি। পরে ভুক্তভোগী কয়েকজন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরাসরি শুনেছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েও ডাকা হয়েছে আমাদের। আমরা আটজন শিক্ষকও সেখানে গিয়েছি। ঘটনার লিখিত বর্ণনা জমা দিয়েছি আমরা।’
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, ‘যদি অভিযোগে প্রমাণিত হয়। তাহলে একজন শিক্ষক হিসেবে ছাত্রের সাথে এমন আচরণ ও অপরাধের জন্য শুধু স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত নয়, উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত।’
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেন জেলা প্রশাসক। এতে কমিটি প্রধান করা হয়েছে জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. ফয়জুর রহমানকে। এছাড়া জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পরিণয় চাকমাকে সদস্য করা হয়েছে।
এদিকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পরের দিন ১৭ ফেব্রুয়ারির শুনানিতে প্রধান শিক্ষককে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়। নির্ধারিত দিনে প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ডিসি কার্যালয়ে উপস্থিত না হওয়ায় শুধু ভুক্তভোগীদের বক্তব্য নেওয়া হয়।
এছাড়া, পরের দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকালে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনকে তলব করা হয়।
ঘটনাটি অত্যন্ত লজ্জার ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আমিও একজন সদস্য। এই সপ্তাহের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হবে।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের কার্যালয়ে একাধিকবার গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর সঙ্গে এক সপ্তাহ ধরে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষক শাহ মোহাম্মদ রেজাউল বলেন, ‘গত ১০ ফেব্রুয়ারির পর থেকে তিনি স্কুলে অনুপস্থিত। আমাকেও ওনার অনুপস্থিততে মৌখিক বা লিখিত কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেননি।’
এদিকে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা উপপরিচালক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম হোসাইনী বলেন, ‘বান্দরবানের ওই প্রধান শিক্ষক ছুটির আবেদন কিংবা মৌখিক কিছুই জানাননি।’
অভিযোগের বিষয়ে ফরিদুল আলম বলেন, ‘ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলৎকার ও নির্যাতনের অভিযোগ বিষয়ে আমি জানি না। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এখানো বিষয়টি আমাকে জানাননি। অভিযোগের কপি পাইনি।’

বান্দরবানের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১১ ছাত্র ও পাঁচ কর্মচারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্রদের পরীক্ষায় পাস করানো এবং অস্থায়ী চাকরি স্থায়ী করার প্রলোভন দেখিয়ে কর্মচারীদের এই নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এদিকে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে দুই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও দুই অভিভাবক লিখিত অভিযোগ দিলে লাপাত্তা আছেন মো. সিরাজুল ইসলাম নামের ওই শিক্ষক।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও বক্তব্য অনুযায়ী, সিরাজুল নিজের বিশ্রাম কক্ষে ডেকে নিয়ে তাদের যৌন নির্যাতন করতেন। পরে শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য করতেন।
এছাড়া, ৫ কর্মচারী বলছেন, নির্ধারিত অফিস সময়ের পর সন্ধ্যায় প্রধান শিক্ষক নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করতেন। বাধা দিলে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার ভয় দেখাতেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অষ্টম শ্রেণির ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী স্ট্রিমকে জানায়, ভয় ও লজ্জায় সে প্রথম দিকে পরিবারকে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগের পর ডিসির কাছে বিস্তারিত জানিয়েছে।
নবম শ্রেণির আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেছে, লজ্জা ও শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য হয় সে।
ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে পড়ালেখায় একটু দুর্বল। নবম শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষায় সে পাঁচটি বিষয়ে খারাপ করায় তাকে দশম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি পরামর্শ দেন, তিনি নিজেই ছাত্রকে পড়াবেন। সেই অনুযায়ী ছেলেকে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শিক্ষকের কাছে পড়াতে পাঠাই। এতে ভালো করলে তাকে দশম শ্রেণিতে উন্নীত করার আশ্বাস দেন ওই শিক্ষক।’
ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থীর দাদা বলেন, ‘গত ৮ ফেব্রুয়ারি নাতিকে নিয়ে আমি প্রধান শিক্ষকের কাছে যাই। ঘণ্টা খানিক পর প্রধান শিক্ষকের কক্ষ থেকে বের হয়ে এলে নাতির চেহারায় আতঙ্ক ও ভয় দেখতে পাই।’
১০ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সময় মানবাধিকারকর্মী ডনাই প্রু নেলীও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘দরিদ্র পরিবারের দুর্বল ছাত্রদের টার্গেট করতেন তিনি।’
এই প্রতিবেদক ৩ কর্মচারীসহ ১০ ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছেন।
বিদ্যালয়ের অস্থায়ী এক কর্মচারী অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্ধারিত অফিস সময়ের পর সন্ধ্যায় নিজের কক্ষে ডেকে প্রধান শিক্ষক দরজা-জানালা বন্ধ করে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন। বাধা দিলে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার ভয় দেখান। আমার মতো আরও কয়েকজন কর্মচারী একই ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।’
বিদ্যালয়ের অস্থায়ী অফিস সহায়ক শিল্পী রানী দে বলেন, ‘স্কুল ছুটির পর একাধিক শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডেকে গেট তালাবদ্ধ রাখা হতো। বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের জানালে আমাকে “ছোট কর্মচারী” বলে চুপ থাকতে বলা হয়। পরে অভিভাবকদের অবহিত করার কারণে নোটিশ ছাড়াই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।’
এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ যাওয়ার পর তাঁকে পুনর্বহাল করা হয়।
ওই বিদ্যালয়ের মুশফিকুর রহমান নামে এক শিক্ষক বলেন, ‘পাঁচজন অস্থায়ী কর্মচারীর কাছ থেকে আমরা প্রথমে প্রধান শিক্ষকের নির্যাতনের বিষয়গুলো জেনেছি। পরে ভুক্তভোগী কয়েকজন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরাসরি শুনেছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েও ডাকা হয়েছে আমাদের। আমরা আটজন শিক্ষকও সেখানে গিয়েছি। ঘটনার লিখিত বর্ণনা জমা দিয়েছি আমরা।’
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানান, ‘যদি অভিযোগে প্রমাণিত হয়। তাহলে একজন শিক্ষক হিসেবে ছাত্রের সাথে এমন আচরণ ও অপরাধের জন্য শুধু স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত নয়, উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত।’
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেন জেলা প্রশাসক। এতে কমিটি প্রধান করা হয়েছে জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. ফয়জুর রহমানকে। এছাড়া জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পরিণয় চাকমাকে সদস্য করা হয়েছে।
এদিকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পরের দিন ১৭ ফেব্রুয়ারির শুনানিতে প্রধান শিক্ষককে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়। নির্ধারিত দিনে প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ডিসি কার্যালয়ে উপস্থিত না হওয়ায় শুধু ভুক্তভোগীদের বক্তব্য নেওয়া হয়।
এছাড়া, পরের দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকালে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনকে তলব করা হয়।
ঘটনাটি অত্যন্ত লজ্জার ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আমিও একজন সদস্য। এই সপ্তাহের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হবে।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের কার্যালয়ে একাধিকবার গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর সঙ্গে এক সপ্তাহ ধরে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষক শাহ মোহাম্মদ রেজাউল বলেন, ‘গত ১০ ফেব্রুয়ারির পর থেকে তিনি স্কুলে অনুপস্থিত। আমাকেও ওনার অনুপস্থিততে মৌখিক বা লিখিত কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেননি।’
এদিকে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা উপপরিচালক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম হোসাইনী বলেন, ‘বান্দরবানের ওই প্রধান শিক্ষক ছুটির আবেদন কিংবা মৌখিক কিছুই জানাননি।’
অভিযোগের বিষয়ে ফরিদুল আলম বলেন, ‘ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলৎকার ও নির্যাতনের অভিযোগ বিষয়ে আমি জানি না। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এখানো বিষয়টি আমাকে জানাননি। অভিযোগের কপি পাইনি।’

জাপানের তৈরি লিফট স্থাপনে ঠিকাদারকে চাহিদা দেয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পণ্য পেলেও সেটি চীনের। অবশ্য লিফটি জাপানের প্রমাণে মরিয়া ছিলেন ঠিকাদার। এ জন্য তিনি জাপানি প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া ই-মেইল খুলে চিঠি চালাচালি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সাহিত্য অঙ্গনের অন্যতম সম্মানজনক স্বীকৃতি ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’। তবে প্রতিবছরই এই পুরস্কার ঘিরে লেখক, পাঠক ও সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ, কৌতূহল ও বিতর্ক কাজ করে। তবে এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশের পর সাহিত্য অঙ্গনে কম বিতর্ক দেখা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে