স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরু গলির দুপাশে সারি সারি ঝুপড়ি ঘর। মাথার উপর ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঝুলছে বৈদ্যুতিক তারের জঞ্জাল, উৎকট গন্ধ টেকাও দায়— এমন স্থানে ৮ বাই ৮ ফুটের খুপরিতে বাস ২২ বছরের যুবক আরমানের। তাঁর ছয় সদস্যের পরিবারের রান্না থেকে ঘুমানো সব ওই এক ঘরেই।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে এভাবেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাজার হাজার মানুষ। দেশে উর্দুভাষীদের এমন ক্যাম্প রয়েছে শতাধিক। এসব ক্যাম্পের বাসিন্দাদের পূর্ব পুরুষরা ১৯৭১ সালের আগে ভারতের বিহার থেকে এই ভূখণ্ডে এসেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে এদের বেশির ভাগ ছিলেন পাকিস্তানের পক্ষে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এসব মানুষের ঠাঁই হয় বিভিন্ন ক্যাম্পে।
এরপর আরমানদের মতো অনেকের এখানেই জন্ম থেকে বেড়ে উঠা। কিন্তু এখনও তাদের পরিচয় ‘আটকা পড়া পাকিস্তানি’ অথবা বিহারি হিসেবে। অথচ, ২০০৮ সালে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা উর্দুভাষীরা পেয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব। নির্বাচনে ভোটও দিচ্ছেন। তবে ন্যূনতম মৌলিক অধিকারও পান না তারা।
সরকারি তথ্য বলছে, দেশে এমন ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাস কয়েক লাখ উর্দুভাষীর। দশকের পর দশক তারা এসব ক্যাম্পে রয়েছেন।
রাজধানীতে উর্দুভাষীদের কয়েকটি ক্যাম্প ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের তুলনায় স্থান খুব কম। ঘুমানোর জায়গা না থাকায় অনেক পরিবার করে নিয়েছে শিফট সিস্টেম। পরিবারের এক দল রাতে ঘুমায়, আরেক দল দিনে। বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা, শিক্ষার ব্যবস্থাও নেই বললেই চলে।
নাগরিকত্ব পেলেও সুবিধা মেলেনি
উচ্চ আদালতের রায়ে ২০০৮ সালের ১৮ মে ভোটের অধিকার পান বাংলাদেশি উর্দুভাষীরা। দিনটি ‘নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার দিবস’ হিসেবে পালন করেন তারা। এদিন ক্যাম্পগুলোতে দোয়া মাহফিলসহ থাকে বিভিন্ন আয়োজন। তবে ওই পর্যন্তই। নাগরিকের সুবিধা আর মেলে না।
রাজধানীর মাদ্রাসা ক্যাম্পের বাসিন্দা রাফিক হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘সামাজিকভাবে আমরা প্রতিনিয়ত অপমান-অপদস্থ হই। ক্যাম্প থেকে বের হলেই আমাদের বলা হয় পাকিস্তানি। কিন্তু আমরা কখনও পাকিস্তানি ছিলাম না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পে আমরা কীভাবে থাকি, কেউ নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করানো যাবে না। থাকা, খাওয়া, গোসল, রান্নার মতো জরুরি কাজও ঠিকমতো করতে পারি না।’
নীলফামারীর সৈয়দপুরের চামড়া গুদাম ক্যাম্পের মাজিদ ইকবাল বলেন, সৈয়দপুরের ক্যাম্পগুলো সরকারি জমিতে। ফলে সব সময় উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকতে হয়। এখানে বিদ্যুৎও ঠিকমতো থাকে না। অথচ যে রকম খুপরি ঘরে আমরা থাকি একদিন বিদ্যুৎ না থাকলে মানুষ হিট স্ট্রোকে মারা যাবে।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের ছেলেরা উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে। তবুও আমরা সামাজিক বৈষম্যের শিকার। ক্যাম্পের বাইরে গেলে কেউ আমাদের মানুষ মনে করে না। বাজেভাবে ট্রিট করে।
বগুড়ার লতিফপুর কলোনি ক্যাম্পের মো. আসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘ক্যাম্পের বাইরে আমাদের বলা হয় বিহারি। অথচ, এই দেশে আমার জন্ম। আমি এই দেশকে লালন করি। কিন্তু কোনো সম্পর্ক না থাকলেও এই দেশের মানুষ এখনও আমাদের পাকিস্তানি হিসেবে দেখে।’
উর্দুভাষীদের আইনি সহায়তা, পুনর্বাসন, শিক্ষা ও ভূমি অধিকার নিয়ে কাজ করে ‘কাউন্সিল অব মাইনরিটি’। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট খালিদ হোসেনের মতে, যতদিন পর্যন্ত ক্যাম্প থাকবে, ততদিন উর্দুভাষীদের সামাজিক মর্যাদা তৈরি হবে না। ক্যাম্প আছে বলেই নানাভাবে হেনস্তা করা যায়।
স্ট্রিমকে খালিদ হোসেন বলেন, এক্ষেত্রে সরকার ক্যাম্পবাসীর সঙ্গে আলাপ করতে পারে। প্রয়োজনে ট্রাস্ট গঠন করে বিদেশি সহায়তা নিয়েও পুনর্বাসন করা যায়। যেভাবেই হোক, এই মানবেতর ক্যাম্প জীবন থেকে বের হতে চাই। দেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চাই।
এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার ফারান মোহাম্মদ আরাফ বলেন, নাগরিকের অধিকার শুধু ভোট দেওয়া না। বাসস্থান, খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারগুলো তাকে দিতে হবে। কিন্তু নাগরিকত্ব পাওয়ার ১৮ বছর পরও যদি ক্যাম্পে থাকতে হয়, তা দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যার জন্ম, তাকে তো আপনি পাকিস্তানি বা বিহারি বলতে পারবেন না। তাকে বাংলাদেশি হিসেবেই ট্রিট করতে হবে। সামাজিকভাবে এই মূল্যবোধ পরিবর্তনের জন্য তাদের আগে ক্যাম্প থেকে বের করতে হবে।’
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেসে ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) উপদেষ্টা আহমাদ ইব্রাহীম স্ট্রিমকে বলেন, ২০০৮ সালে উর্দুভাষীরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়েছেন, এভাবে বলাটা ঠিক না। ওই রায়ে আদালত বলেন, উর্দুভাষীরা সবসময় বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্রের অবহেলায় তারা নাগরিক অধিকার পাননি।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পবাসীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের স্থায়ী ঠিকানা নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্যাম্পের পরিচয় দিলে গ্রহণ করে না। ফলে তারা শিক্ষিত হতে পারে না এবং ইনফরমাল অর্থনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। সেলুন, কসাই খানাসহ বিভিন্ন কাজে ঢুকে। অনেকে আবার অপরাধ জগতের দিকে ঝুঁকে পড়ে। সবার আগে তাদের স্থায়ী ঠিকানা ও শিক্ষার অধিকার দিতে হবে।’
এর আগেও বিভিন্ন সরকার উর্দুভাষীদের নিয়ে উদ্যোগের কথা বলেছে জানিয়ে আহমাদ ইব্রাহীম বলেন, তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান সরকারও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলেই উর্দুভাষীদের ক্যাম্প জীবনের অবসান হবে এবং তাঁরা নাগরিক অধিকার পাবেন।

সরু গলির দুপাশে সারি সারি ঝুপড়ি ঘর। মাথার উপর ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঝুলছে বৈদ্যুতিক তারের জঞ্জাল, উৎকট গন্ধ টেকাও দায়— এমন স্থানে ৮ বাই ৮ ফুটের খুপরিতে বাস ২২ বছরের যুবক আরমানের। তাঁর ছয় সদস্যের পরিবারের রান্না থেকে ঘুমানো সব ওই এক ঘরেই।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে এভাবেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাজার হাজার মানুষ। দেশে উর্দুভাষীদের এমন ক্যাম্প রয়েছে শতাধিক। এসব ক্যাম্পের বাসিন্দাদের পূর্ব পুরুষরা ১৯৭১ সালের আগে ভারতের বিহার থেকে এই ভূখণ্ডে এসেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে এদের বেশির ভাগ ছিলেন পাকিস্তানের পক্ষে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এসব মানুষের ঠাঁই হয় বিভিন্ন ক্যাম্পে।
এরপর আরমানদের মতো অনেকের এখানেই জন্ম থেকে বেড়ে উঠা। কিন্তু এখনও তাদের পরিচয় ‘আটকা পড়া পাকিস্তানি’ অথবা বিহারি হিসেবে। অথচ, ২০০৮ সালে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা উর্দুভাষীরা পেয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব। নির্বাচনে ভোটও দিচ্ছেন। তবে ন্যূনতম মৌলিক অধিকারও পান না তারা।
সরকারি তথ্য বলছে, দেশে এমন ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাস কয়েক লাখ উর্দুভাষীর। দশকের পর দশক তারা এসব ক্যাম্পে রয়েছেন।
রাজধানীতে উর্দুভাষীদের কয়েকটি ক্যাম্প ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের তুলনায় স্থান খুব কম। ঘুমানোর জায়গা না থাকায় অনেক পরিবার করে নিয়েছে শিফট সিস্টেম। পরিবারের এক দল রাতে ঘুমায়, আরেক দল দিনে। বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা, শিক্ষার ব্যবস্থাও নেই বললেই চলে।
নাগরিকত্ব পেলেও সুবিধা মেলেনি
উচ্চ আদালতের রায়ে ২০০৮ সালের ১৮ মে ভোটের অধিকার পান বাংলাদেশি উর্দুভাষীরা। দিনটি ‘নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার দিবস’ হিসেবে পালন করেন তারা। এদিন ক্যাম্পগুলোতে দোয়া মাহফিলসহ থাকে বিভিন্ন আয়োজন। তবে ওই পর্যন্তই। নাগরিকের সুবিধা আর মেলে না।
রাজধানীর মাদ্রাসা ক্যাম্পের বাসিন্দা রাফিক হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘সামাজিকভাবে আমরা প্রতিনিয়ত অপমান-অপদস্থ হই। ক্যাম্প থেকে বের হলেই আমাদের বলা হয় পাকিস্তানি। কিন্তু আমরা কখনও পাকিস্তানি ছিলাম না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পে আমরা কীভাবে থাকি, কেউ নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করানো যাবে না। থাকা, খাওয়া, গোসল, রান্নার মতো জরুরি কাজও ঠিকমতো করতে পারি না।’
নীলফামারীর সৈয়দপুরের চামড়া গুদাম ক্যাম্পের মাজিদ ইকবাল বলেন, সৈয়দপুরের ক্যাম্পগুলো সরকারি জমিতে। ফলে সব সময় উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকতে হয়। এখানে বিদ্যুৎও ঠিকমতো থাকে না। অথচ যে রকম খুপরি ঘরে আমরা থাকি একদিন বিদ্যুৎ না থাকলে মানুষ হিট স্ট্রোকে মারা যাবে।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের ছেলেরা উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে। তবুও আমরা সামাজিক বৈষম্যের শিকার। ক্যাম্পের বাইরে গেলে কেউ আমাদের মানুষ মনে করে না। বাজেভাবে ট্রিট করে।
বগুড়ার লতিফপুর কলোনি ক্যাম্পের মো. আসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘ক্যাম্পের বাইরে আমাদের বলা হয় বিহারি। অথচ, এই দেশে আমার জন্ম। আমি এই দেশকে লালন করি। কিন্তু কোনো সম্পর্ক না থাকলেও এই দেশের মানুষ এখনও আমাদের পাকিস্তানি হিসেবে দেখে।’
উর্দুভাষীদের আইনি সহায়তা, পুনর্বাসন, শিক্ষা ও ভূমি অধিকার নিয়ে কাজ করে ‘কাউন্সিল অব মাইনরিটি’। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট খালিদ হোসেনের মতে, যতদিন পর্যন্ত ক্যাম্প থাকবে, ততদিন উর্দুভাষীদের সামাজিক মর্যাদা তৈরি হবে না। ক্যাম্প আছে বলেই নানাভাবে হেনস্তা করা যায়।
স্ট্রিমকে খালিদ হোসেন বলেন, এক্ষেত্রে সরকার ক্যাম্পবাসীর সঙ্গে আলাপ করতে পারে। প্রয়োজনে ট্রাস্ট গঠন করে বিদেশি সহায়তা নিয়েও পুনর্বাসন করা যায়। যেভাবেই হোক, এই মানবেতর ক্যাম্প জীবন থেকে বের হতে চাই। দেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চাই।
এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার ফারান মোহাম্মদ আরাফ বলেন, নাগরিকের অধিকার শুধু ভোট দেওয়া না। বাসস্থান, খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারগুলো তাকে দিতে হবে। কিন্তু নাগরিকত্ব পাওয়ার ১৮ বছর পরও যদি ক্যাম্পে থাকতে হয়, তা দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যার জন্ম, তাকে তো আপনি পাকিস্তানি বা বিহারি বলতে পারবেন না। তাকে বাংলাদেশি হিসেবেই ট্রিট করতে হবে। সামাজিকভাবে এই মূল্যবোধ পরিবর্তনের জন্য তাদের আগে ক্যাম্প থেকে বের করতে হবে।’
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেসে ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) উপদেষ্টা আহমাদ ইব্রাহীম স্ট্রিমকে বলেন, ২০০৮ সালে উর্দুভাষীরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়েছেন, এভাবে বলাটা ঠিক না। ওই রায়ে আদালত বলেন, উর্দুভাষীরা সবসময় বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্রের অবহেলায় তারা নাগরিক অধিকার পাননি।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পবাসীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদের স্থায়ী ঠিকানা নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্যাম্পের পরিচয় দিলে গ্রহণ করে না। ফলে তারা শিক্ষিত হতে পারে না এবং ইনফরমাল অর্থনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। সেলুন, কসাই খানাসহ বিভিন্ন কাজে ঢুকে। অনেকে আবার অপরাধ জগতের দিকে ঝুঁকে পড়ে। সবার আগে তাদের স্থায়ী ঠিকানা ও শিক্ষার অধিকার দিতে হবে।’
এর আগেও বিভিন্ন সরকার উর্দুভাষীদের নিয়ে উদ্যোগের কথা বলেছে জানিয়ে আহমাদ ইব্রাহীম বলেন, তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান সরকারও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলেই উর্দুভাষীদের ক্যাম্প জীবনের অবসান হবে এবং তাঁরা নাগরিক অধিকার পাবেন।

ঝিনাইদহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেলচালক এবং তিন বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। শুক্রবার জেলার সদর উপজেলা ও শৈলকুপায় এই দুই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিবাদের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) ‘কোচিং সেন্টার’ বলা বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শুক্রবার (২৯ মে) ফেসবুকে এক বিবৃতিতে বক্তব্য প্রত্যাহাররে কথা জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী বাজেট হবে জনবান্ধব। বিনিয়োগ ও ব্যবসার নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অবহেলিত অঞ্চলে শিল্প উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ প্রণোদনা দেবে সরকার।
৩ ঘণ্টা আগে
পূর্ব ঘোষণা ছাড়া নিজে গাড়ি চালিয়ে ঢাকার কোরবানির বর্জ্য অপসারণ পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে