চুরির অভিযোগে মারধর, ৭ দিন পর যুবকের মৃত্যু
স্ট্রিম সংবাদদাতাঢাকা

ঢাকার ধামরাইয়ে রাইস মিলের মোটরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরে আহত শঙ্কর মণ্ডল মারা গেছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ধামরাই পৌরসভার পশ্চিম কায়েত পাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়।
শঙ্কর মণ্ডল (৩২) ধামরাইয়ের পশ্চিম কায়েত পাড়া এলাকার বদন চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে। গত ৮ আগস্ট স্থানীয় ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিলে শঙ্করকে মারধর করা হয়।
স্বজন ও পুলিশ জানায়, ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিল থেকে মোটরের একটি যন্ত্রাংশ চুরি হয়। এতে জড়িত থাকার সন্দেহে শঙ্করকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন মিল মালিক। শঙ্করের সঙ্গে তাঁর বাবা ও স্থানীয় অপর এক ব্যক্তিও মিলে যান। তবে বাবা ও সেই ব্যক্তিকে বাইরে পাঠিয়ে মিলের ভেতরে শঙ্করকে মারধর করেন মিল মালিক।
গুরুতর আহত শঙ্করকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু আর্থিক সংকুলান না থাকায় পরিবার তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে নেন। সাত দিন পর তাঁর মৃত্যু হলো।
মৃতের বাবা বদন চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘আমার ছেলে আমার সঙ্গেই কাজ করে। এরপরও সে চুরি করছে বলে খবর পাঠায়। আমি ও আরেকজন মিলে তাকে নিয়ে যাই। আমাদের বের করে দিয়ে ভেতরে ছেলেকে মারধর করে রাতে ছেড়ে দেয়। টাকা নাই, চিকিৎসা কীভাবে করাব। আজ আমার ছেলে মারা গেছে।’
শঙ্করের সঙ্গে মিলে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, শঙ্করের বাবা আমার এলাকার প্রতিবেশী। চুরির বিষয়ে অন্য একজনের কথা অনুযায়ী জিজ্ঞেস করার কথা বলে তাঁকে ডেকে নিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক শহীদুল ইসলাম জানান, লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)






