
হবিগঞ্জে আটকের ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকা দিয়ে থানা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) জেলা সদস্যসচিব মাহদি হাসান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে সদর মডেল থানা থেকে মাহদিসহ আটক ৩ জনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন বৈছাআ নেতা মির্জা সুমন ও মো. রাজু আহমেদ। এ সময় থানা ফটকের সামনে তাদের স্বজন ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ‘বানিয়াচং থানা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’— এমন বক্তব্য দিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন মাহদি। গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ এলাকা থেকে মাহদিসহ তিনজনকে আটক করে সদর মডেল থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল ও বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই ‘সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা’ ব্যানারে বিক্ষোভের আয়োজন করে মাহদি হাসানসহ তার লোকজন। প্রশাসনের নিষেধ উপেক্ষা করে তারা কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হলে শহরে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা তৈরি হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করে।
থানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর মাহদি হাসান বলেন, ‘বিক্ষোভ মিছিলের আগের রাতে পুলিশ আমাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে এবং আমাদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধমকি দিয়েছে।’ এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় নারী যুবশক্তির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আহমেদ।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করায় আটক ব্যক্তিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে। তবে মুচলেকায় কী উল্লেখ রয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
.png)






