
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে প্রচারণার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার আজ থেকেই দেশজুড়ে মাইকিংসহ ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়াই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
তিনি আরও বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধির পরও যদি অবহেলা দেখা যায়, তাহলে কঠোরভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। যেখানেই এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ডিএসসিসির জরিপে ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৮টি ওয়ার্ডকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় রোববার থেকে এক সপ্তাহের বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, ড্রেনসহ আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। বৃষ্টির পানি বা অন্য কোনো পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে। কারণ, জমে থাকা স্বচ্ছ পানিই এডিস মশার প্রধান প্রজননস্থল।
অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ডিএসসিসির প্রশাসক এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, ধানমন্ডি সোসাইটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন।
.png)






