স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য ওয়াসিম আহমেদ মুকছানকে ৪ জানুয়ারি ভোররাতে নিজ বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে গেছে বলে দাবি তাঁর পরিবারের। ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর তিনটি থানা ও ডিবি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এছাড়া অবিলম্বে ওয়াসিম আহমেদের সন্ধান ও তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ৪ জানুয়ারি ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে কদমতলী এলাকায় ওয়াসিম আহমেদের বাসায় আসে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস। সিভিল পোশাকে থাকা ৩-৪ জন ব্যক্তি জোরপূর্বক তাঁদের ঘরে প্রবেশ করে এবং বাকিরা বাইরে অবস্থান নেয়। তাঁরা কোনো পরিচয়পত্র দেখাননি, শুধু নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে দাবি করেন। পরিচয় জানতে চাইলে পরের দিন সকালে শ্যামপুর থানা থেকে ওয়াসিমকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসিমের স্ত্রী শারমিন সুলতানা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা নির্দেশমতো শ্যামপুর থানায় যোগাযোগ করি। এরপর কদমতলী ও কেরানীগঞ্জ থানাতেও খোঁজ নেই। কিন্তু কোনো থানাতেই ওয়াসিম আহমেদের আটকের কোনো তথ্য পাইনি। এমনকি মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেও তার কোনো হদিস পাইনি।’
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা জানান, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে কদমতলী এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন ওয়াসিম। এটি সাধারণ কোনো ঘটনা না বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক কর্মীকে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তার কোনো খোঁজ না দেওয়া—এটি পতিত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের গুমের সংস্কৃতিরই ধারাবাহিকতা। আমরা এই হীন কাজের তীব্র নিন্দা জানাই।’
অবিলম্বে ওয়াসিম আহমেদ মুকছানের অবস্থান পরিষ্কার করা এবং তাঁকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি। একইসঙ্গে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে দলটি।

রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য ওয়াসিম আহমেদ মুকছানকে ৪ জানুয়ারি ভোররাতে নিজ বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে গেছে বলে দাবি তাঁর পরিবারের। ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও রাজধানীর তিনটি থানা ও ডিবি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এছাড়া অবিলম্বে ওয়াসিম আহমেদের সন্ধান ও তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ৪ জানুয়ারি ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে কদমতলী এলাকায় ওয়াসিম আহমেদের বাসায় আসে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস। সিভিল পোশাকে থাকা ৩-৪ জন ব্যক্তি জোরপূর্বক তাঁদের ঘরে প্রবেশ করে এবং বাকিরা বাইরে অবস্থান নেয়। তাঁরা কোনো পরিচয়পত্র দেখাননি, শুধু নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে দাবি করেন। পরিচয় জানতে চাইলে পরের দিন সকালে শ্যামপুর থানা থেকে ওয়াসিমকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসিমের স্ত্রী শারমিন সুলতানা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা নির্দেশমতো শ্যামপুর থানায় যোগাযোগ করি। এরপর কদমতলী ও কেরানীগঞ্জ থানাতেও খোঁজ নেই। কিন্তু কোনো থানাতেই ওয়াসিম আহমেদের আটকের কোনো তথ্য পাইনি। এমনকি মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেও তার কোনো হদিস পাইনি।’
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির নেতারা জানান, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে কদমতলী এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন ওয়াসিম। এটি সাধারণ কোনো ঘটনা না বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক কর্মীকে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তার কোনো খোঁজ না দেওয়া—এটি পতিত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের গুমের সংস্কৃতিরই ধারাবাহিকতা। আমরা এই হীন কাজের তীব্র নিন্দা জানাই।’
অবিলম্বে ওয়াসিম আহমেদ মুকছানের অবস্থান পরিষ্কার করা এবং তাঁকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি। একইসঙ্গে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে দলটি।

এখনো চলছে ঈদের ছুটি। ছুটির দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা যায়। যদিও রাজধানীর বেসরকারি ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে তিন দিন বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও গ্রহীতাদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দেওয়া হচ্ছে
১০ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজোলার হেমন্তগঞ্জে কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাশেম গ্রুপ ও একই গ্ৰামের নজির গ্রুপের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, কার্যালয় ভাংচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেল সংকটের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে ঢাকা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস্ ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
১৪ ঘণ্টা আগে