স্ট্রিম সংবাদদাতা

ফেনীর সোনাগাজীতে রূপালী ব্যাংকের তিন গ্রাহকের হিসাব থেকে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে তাদের টাকা সরানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ব্যাংকের আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখায় তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহক আবুল বশরের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩ হাজার টাকা খোয়া গেছে। তাঁর প্রবাসী ছেলে মনসুর আলমের অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়েছে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকা। এছাড়া ছোট ছেলে ইফতেখার আলমের অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়েছে ৯৫ হাজার টাকা।
গ্রাহকের অজান্তেই এসব টাকা ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। গত ১২ নভেম্বর অস্বাভাবিক লেনদেনের বিষয়টি প্রথম নজরে আসে। ব্যাংক থেকে যোগাযোগ করা হলে আবুল বশর জানান, তিনি কোনো লেনদেন করেননি।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা শাখা ম্যানেজার দিদারুল আলম ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানকে দায়ী করেন। আবুল বশরের অভিযোগ, টাকা উদ্ধারের কথা বলে ব্যাংকের ম্যানেজার তাঁর কাছে ঘুষ দাবি করেছেন। প্রথমে ৬ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানালেও ঘুষ না দেওয়ায় উদ্ধার কাজে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন ম্যানেজার।
অভিযোগ অস্বীকার করে শাখা ম্যানেজার দিদারুল আলম বলেন, টাকাগুলো অ্যাপসের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অ্যাপসের লেনদেন প্রধান কার্যালয় সরাসরি তদারকি করে। তাই এই জালিয়াতিতে তাঁর বা শাখার কর্মকর্তাদের দায় নেই। বিষয়টি প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়েছে ও তদন্ত দল শাখা পরিদর্শন করেছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ লেনদেনের যাবতীয় তথ্য ও জালিয়াতির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

ফেনীর সোনাগাজীতে রূপালী ব্যাংকের তিন গ্রাহকের হিসাব থেকে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে তাদের টাকা সরানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ব্যাংকের আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখায় তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহক আবুল বশরের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩ হাজার টাকা খোয়া গেছে। তাঁর প্রবাসী ছেলে মনসুর আলমের অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়েছে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকা। এছাড়া ছোট ছেলে ইফতেখার আলমের অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়েছে ৯৫ হাজার টাকা।
গ্রাহকের অজান্তেই এসব টাকা ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। গত ১২ নভেম্বর অস্বাভাবিক লেনদেনের বিষয়টি প্রথম নজরে আসে। ব্যাংক থেকে যোগাযোগ করা হলে আবুল বশর জানান, তিনি কোনো লেনদেন করেননি।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা শাখা ম্যানেজার দিদারুল আলম ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানকে দায়ী করেন। আবুল বশরের অভিযোগ, টাকা উদ্ধারের কথা বলে ব্যাংকের ম্যানেজার তাঁর কাছে ঘুষ দাবি করেছেন। প্রথমে ৬ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানালেও ঘুষ না দেওয়ায় উদ্ধার কাজে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন ম্যানেজার।
অভিযোগ অস্বীকার করে শাখা ম্যানেজার দিদারুল আলম বলেন, টাকাগুলো অ্যাপসের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অ্যাপসের লেনদেন প্রধান কার্যালয় সরাসরি তদারকি করে। তাই এই জালিয়াতিতে তাঁর বা শাখার কর্মকর্তাদের দায় নেই। বিষয়টি প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়েছে ও তদন্ত দল শাখা পরিদর্শন করেছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ লেনদেনের যাবতীয় তথ্য ও জালিয়াতির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
.png)

চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন' শীর্ষক এই সেশন শুরু হয়।
২৯ মিনিট আগে
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বনানীর একটি বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে সকালেই তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে এবার নারী-শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধায় তারা ঢুকতে পারেনি। বিএসএফও না নেওয়ায় দলটি সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
২ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে নওগাঁর বাজারে স্বর্ণা-৫ ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১ হাজার ২০০ টাকা দামে। তুলসিরামপুর গ্রামের কৃষক হামিদুর রহমান বলেন, ‘২২ মণ ধান বিক্রি করে পেয়েছি ২৬ হাজার ৬২০ টাকা। কিন্তু বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ পড়েছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। এত অল্প লাভে কিভাবে সংসার চালাবো, কিভাবে ফের আবাদ করবো?'
৩ ঘণ্টা আগে