এ কে রাতুল ছিলেন ব্যান্ড ‘ওউন্ড’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও লিড ভোকালিস্ট। ২০০৭ সালে এ কে রাতুলের আরেক ভাই এ কে সামির হাত ধরে যাত্রা শুরু করে ব্যান্ডটি। শুরুতে ব্যান্ডের লাইনআপে ছিলেন ভোকালে এন্ডি ম্যান্ডেস, ড্রামসে রাতুলের আরেক ভাই এ কে সামি, গিটারে শারিফ খান ও ফাসিউদ্দিন আহমেদ ইতমাম এবং বেজিস্ট রাতুল।
স্ট্রিম প্রতিবেদক
চিত্রনায়ক জসীমের ছেলে ও রক ব্যান্ড ‘ওউন্ড’-এর ভোকালিস্ট-বেজিস্ট এ কে রাতুল আর নেই।
আজ ১৯ জুলাই, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উত্তরার একটি জিমে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে তাঁকে দ্রুত উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় লুবনা হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ কে রাতুলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ব্যান্ডের সদস্য প্রিতম আরেফিন।
উল্লেখ্য, রাতুলের বাবা নায়ক জসীমও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মারা যান।
এ কে রাতুল ছিলেন ব্যান্ড ‘ওউন্ড’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও লিড ভোকালিস্ট। ২০০৭ সালে এ কে রাতুলের আরেক ভাই এ কে সামির হাত ধরে যাত্রা শুরু করে ব্যান্ডটি। শুরুতে ব্যান্ডের লাইনআপে ছিলেন ভোকালে এন্ডি ম্যান্ডেস, ড্রামসে রাতুলের আরেক ভাই এ কে সামি, গিটারে শারিফ খান ও ফাসিউদ্দিন আহমেদ ইতমাম এবং বেজিস্ট রাতুল। পরে রাতুল হয়ে ওঠেন ব্যান্ডের লিড ভোকাল ও বেজিস্ট। এর পাশাপাশি রাতুল অন্য কয়েকটি ব্যান্ডের লাইভ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও কাজ করতেন।

‘ওউন্ড’ ব্যান্ডের প্রথম গান ‘আবারও’ প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালের একটি মিক্সড অ্যালবামে। এরপর ধীরে ধীরে ব্যান্ডটি হয়ে ওঠে বাংলাদেশের ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ ও অল্টারনেটিভ রক-সংগীতের পরিচিত নাম। তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘ওয়ান’ প্রকাশ পায় ২০১৪ সালে। শ্রোতামহলে এই অ্যালবামের গানগুলো প্রশংসা পায়। এরপর দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘টু’ বাজারে আসে ২০১৭ সালে। এ ছাড়াও ২০২১ সালে প্রকাশ পায় ব্যান্ডের প্রথম ইপি ‘এইটিন’। এইটিনের এক্সপেরিমেন্টাল সাউন্ড দিয়ে ব্যান্ডটি শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নেয়।
‘ওউন্ড’ নিজেদেরকে আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড মনে করে। তাই দেশের আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্টে ব্যান্ডটিকে নিয়মিত পারফর্ম করতে দেখা যায়। ওউন্ডের গান মূলত শহরের শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়। বিশেষ করে, যাঁরা সমসাময়িক পশ্চিমা ব্যান্ড-সংগীতের নিয়মিত শ্রোতা।
ওউন্ডের সংগীত চিন্তায় বড় একটা প্রভাব আছে নব্বইয়ের দশকের ‘নিওমেটাল’ ধারার। এই ধারায় হেভি মেটালের সঙ্গে গ্রাঞ্জ মেটাল আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রককে মেশানো হয়। ‘ডেফটোনস’, ‘স্লিপনট’ আর ‘কুইন্স অব দ্য স্টোন এজ’ ব্যান্ডের গান ওউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে।
চিত্রনায়ক জসীমের ছেলে ও রক ব্যান্ড ‘ওউন্ড’-এর ভোকালিস্ট-বেজিস্ট এ কে রাতুল আর নেই।
আজ ১৯ জুলাই, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উত্তরার একটি জিমে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে তাঁকে দ্রুত উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় লুবনা হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ কে রাতুলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ব্যান্ডের সদস্য প্রিতম আরেফিন।
উল্লেখ্য, রাতুলের বাবা নায়ক জসীমও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মারা যান।
এ কে রাতুল ছিলেন ব্যান্ড ‘ওউন্ড’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও লিড ভোকালিস্ট। ২০০৭ সালে এ কে রাতুলের আরেক ভাই এ কে সামির হাত ধরে যাত্রা শুরু করে ব্যান্ডটি। শুরুতে ব্যান্ডের লাইনআপে ছিলেন ভোকালে এন্ডি ম্যান্ডেস, ড্রামসে রাতুলের আরেক ভাই এ কে সামি, গিটারে শারিফ খান ও ফাসিউদ্দিন আহমেদ ইতমাম এবং বেজিস্ট রাতুল। পরে রাতুল হয়ে ওঠেন ব্যান্ডের লিড ভোকাল ও বেজিস্ট। এর পাশাপাশি রাতুল অন্য কয়েকটি ব্যান্ডের লাইভ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও কাজ করতেন।

‘ওউন্ড’ ব্যান্ডের প্রথম গান ‘আবারও’ প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালের একটি মিক্সড অ্যালবামে। এরপর ধীরে ধীরে ব্যান্ডটি হয়ে ওঠে বাংলাদেশের ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ ও অল্টারনেটিভ রক-সংগীতের পরিচিত নাম। তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘ওয়ান’ প্রকাশ পায় ২০১৪ সালে। শ্রোতামহলে এই অ্যালবামের গানগুলো প্রশংসা পায়। এরপর দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘টু’ বাজারে আসে ২০১৭ সালে। এ ছাড়াও ২০২১ সালে প্রকাশ পায় ব্যান্ডের প্রথম ইপি ‘এইটিন’। এইটিনের এক্সপেরিমেন্টাল সাউন্ড দিয়ে ব্যান্ডটি শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নেয়।
‘ওউন্ড’ নিজেদেরকে আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড মনে করে। তাই দেশের আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্টে ব্যান্ডটিকে নিয়মিত পারফর্ম করতে দেখা যায়। ওউন্ডের গান মূলত শহরের শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়। বিশেষ করে, যাঁরা সমসাময়িক পশ্চিমা ব্যান্ড-সংগীতের নিয়মিত শ্রোতা।
ওউন্ডের সংগীত চিন্তায় বড় একটা প্রভাব আছে নব্বইয়ের দশকের ‘নিওমেটাল’ ধারার। এই ধারায় হেভি মেটালের সঙ্গে গ্রাঞ্জ মেটাল আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রককে মেশানো হয়। ‘ডেফটোনস’, ‘স্লিপনট’ আর ‘কুইন্স অব দ্য স্টোন এজ’ ব্যান্ডের গান ওউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে