স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের একদিন পার হতে চললেও এখন পর্যন্ত জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দুইজন শ্যুটারকে দেখা গেলেও তাদের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেননি তদন্তকারীরা। হত্যাকাণ্ডের পর শ্যুটারদের পালানোর পথ চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ও এর আশেপাশে থাকা বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেন। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও হতাহত পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া প্রযুক্তিগত তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের পরিচয় শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য মাঠে কাজ করছে পুলিশ। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও ছায়া তদন্তে তাদের পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করেছে।
তেজগাঁও জোনের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান স্ট্রিমকে বলেন, "একই ঘটনাস্থলে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড ও মাসুদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অজ্ঞাত আসামিদের কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।"
গত বুধবার রাতে তেজগাঁও থানাধীন স্টার কাবাব হোটেলের গলিতে একদল সন্ত্রাসী মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মুছাব্বির। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ও ভ্যান মালিক সমিতির নেতা আবু সুফিয়ান মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ মাসুদ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তেজগাঁও থানার ওসি কৌশণ্যু মারমা বলেন, "মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান মাসুদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটিও একই মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল একই হওয়ায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলার এজাহারপত্রে গুলিবিদ্ধ মাসুদের ঘটনা উল্লেখ আছে।"
তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের দুজনকে দেখা গেছে। তবে তারা কারা, সে বিষয়ে জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এখনও কেউ আটক বা গ্রেপ্তার হয়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে যখন গুলি চালানো হয়, তখন আবু সুফিয়ান মাসুদ পাশেই ছিলেন। সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মুছাব্বির ঘটনাস্থলেই মারা যান। আবু সুফিয়ান মাসুদের পেটে ও হাতে একাধিক গুলি লেগেছে।
ঘটনার পরপরই তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি এখনও চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা এখনও স্থিতিশীল হয়নি।
আবু সুফিয়ান মাসুদ কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
পুলিশের ধারণা, মুছাব্বিরকে হত্যা করাই ছিল মূল লক্ষ্য। তবে সঙ্গে থাকায় আবু সুফিয়ানকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ জড়িতদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের একদিন পার হতে চললেও এখন পর্যন্ত জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দুইজন শ্যুটারকে দেখা গেলেও তাদের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেননি তদন্তকারীরা। হত্যাকাণ্ডের পর শ্যুটারদের পালানোর পথ চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ও এর আশেপাশে থাকা বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেন। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও হতাহত পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া প্রযুক্তিগত তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের পরিচয় শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য মাঠে কাজ করছে পুলিশ। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও ছায়া তদন্তে তাদের পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করেছে।
তেজগাঁও জোনের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান স্ট্রিমকে বলেন, "একই ঘটনাস্থলে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড ও মাসুদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অজ্ঞাত আসামিদের কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।"
গত বুধবার রাতে তেজগাঁও থানাধীন স্টার কাবাব হোটেলের গলিতে একদল সন্ত্রাসী মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মুছাব্বির। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ও ভ্যান মালিক সমিতির নেতা আবু সুফিয়ান মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ মাসুদ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তেজগাঁও থানার ওসি কৌশণ্যু মারমা বলেন, "মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান মাসুদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটিও একই মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল একই হওয়ায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলার এজাহারপত্রে গুলিবিদ্ধ মাসুদের ঘটনা উল্লেখ আছে।"
তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের দুজনকে দেখা গেছে। তবে তারা কারা, সে বিষয়ে জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এখনও কেউ আটক বা গ্রেপ্তার হয়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে যখন গুলি চালানো হয়, তখন আবু সুফিয়ান মাসুদ পাশেই ছিলেন। সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মুছাব্বির ঘটনাস্থলেই মারা যান। আবু সুফিয়ান মাসুদের পেটে ও হাতে একাধিক গুলি লেগেছে।
ঘটনার পরপরই তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি এখনও চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা এখনও স্থিতিশীল হয়নি।
আবু সুফিয়ান মাসুদ কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
পুলিশের ধারণা, মুছাব্বিরকে হত্যা করাই ছিল মূল লক্ষ্য। তবে সঙ্গে থাকায় আবু সুফিয়ানকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ জড়িতদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
.png)

চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন' শীর্ষক এই সেশন শুরু হয়।
৪ মিনিট আগে
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বনানীর একটি বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে সকালেই তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে এবার নারী-শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধায় তারা ঢুকতে পারেনি। বিএসএফও না নেওয়ায় দলটি সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে নওগাঁর বাজারে স্বর্ণা-৫ ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১ হাজার ২০০ টাকা দামে। তুলসিরামপুর গ্রামের কৃষক হামিদুর রহমান বলেন, ‘২২ মণ ধান বিক্রি করে পেয়েছি ২৬ হাজার ৬২০ টাকা। কিন্তু বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ পড়েছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। এত অল্প লাভে কিভাবে সংসার চালাবো, কিভাবে ফের আবাদ করবো?'
২ ঘণ্টা আগে