ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
স্ট্রিম প্রতিবেদকঢাকা

ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী।
রোববার রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে (আইইবি) মিলনায়তনে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তসীমান্ত সহযোগিতা: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ৫৭টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এসব নদীর সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি, খাদ্য ও পানিনিরাপত্তা, পরিবেশ, জলবায়ু সহনশীলতা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিষয় জড়িত। রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব ও নতজানু নীতির কারণে বিগত সরকার ফারাক্কার ন্যায্য পানি নিশ্চিত করতে পারেনি।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, বন্যা, নদীভাঙন, খরা, লবণাক্ততা ও পানিসংকট দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ক্রমেই বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। এসব অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তসীমান্ত সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, নদীর পানির প্রবাহ ও বন্যার পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য বিনিময়, যৌথ গবেষণা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আন্তসীমান্ত সহযোগিতা বাড়িয়ে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, জ্বালানি ও আঞ্চলিক যোগাযোগের মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন পানিসম্পদমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে এবং শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামত পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ে এর কাজ শুরু করা হবে। পদ্মা ব্যারাজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং খাল খননের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (অ্যাব) সদস্যসচিব প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।
.png)






