৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ২০

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভবন। ছবি: বিবিসি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভবন। ছবি: বিবিসি

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর পাঁচটার কিছু আগে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়। দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার বিভাগের কর্মকর্তা ফাতুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত ২০ জন মারা গেছেন। ছয় আহত এবং দুইজন এখনো চাপা পড়ে আছেন।

উদ্ধার অভিযানের নিয়ে তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ভুক্তভোগীদের সন্ধান ও উদ্ধার করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তবে ভুমিধসে বিভিন্ন সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার অভিযানে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে জানান ফাতুর রহমান।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ুবিদ্যা ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল নাগেকেও জেলার এমবায় থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর পূর্ব নুসা টেঙ্গারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি এবং পশ্চিম নুসা টেঙ্গারা প্রদেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে পরে সংস্থাটি জানায়, সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পের আঘাতে রুটেন ও মাঙ্গ্যারাইসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে দ্রুত মূল্যায়ন চলছে বলে জানিয়েছে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। পাশাপাশি জনগণকে শান্ত থাকার এবং উপকূলীয় এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

পূর্ব নুসা টেঙ্গারার সিক্কা জেলার তালিবুরা গ্রামের বাসিন্দা আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো আকস্মিক ভূকম্পনের বর্ণনা দিয়ে বিবিসিকে বলেন, ‘আমি ঘুমাচ্ছিলাম, হঠাৎ তীব্র কম্পনে জেগে উঠি এবং দ্রুত আমার বাচ্চার রুমে যাই। বাইরে বেরিয়ে দেখি সমুদ্রের পানি পিছিয়ে যাওয়ায় উপকূলের কাছের বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে পাহাড়ে ও রাস্তায় পালিয়ে যাচ্ছেন। পানি অনেকক্ষণ নিচু থাকায় সবাই আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে।’

বিবিসির প্রতিবেদন মতে, অনবরত হতে থাকা আফটারশকের ভয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এখনো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন এবং ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত