
সৌদি আরবের জিজানে সৌদি আরামকোর একটি তেল স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে ওই হামলায় স্থাপনাটিতে আগুন ধরে যায়। আল মাসিরাহ টিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরার।
বিবৃতিতে হুতিরা জানায়, স্থাপনাটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সা’দা ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি আরবের ড্রোন হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
এর আগে, সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, জিজানে সৌদি আরামকোর একটি শোধনাগারের স্থাপনায় ভোরে আগুন লাগে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
জিজান লোহিত সাগরের তীরবর্তী একটি বন্দরনগরী। এটি ইয়েমেন সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
এর আগে শুক্রবার সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। তিন দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ জোরদার করতেই এই চুক্তি। এ ছাড়া তিন রাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও উন্নত করাও চুক্তির লক্ষ্য।
ওই চুক্তির দুই দিনের মাথায় সৌদি আরবে এই হামলার ঘটনা ঘটল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
প্রায় এক দশক ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে ইরান সমর্থিত হুতিদের সংঘাত চলছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগরে হুতিদের অবরোধের কারণে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের সামরিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জাহাজ চলাচল লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে হুতিরা। গত ৭ আগস্ট হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ১১ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন।
.png)






