দ্রুত আমানত খোয়াচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, ‘সক্রিয়’ জামায়াতও

সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েও তাদের অনেকে আমানত তুলছেন কিংবা হিসাব বন্ধ করছেন। স্ট্রিম গ্রাফিক

চলমান অস্থিরতায় বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নেওয়া বেড়েই চলেছে। সাধারণ গ্রাহকের পাশাপাশি এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির ঘনিষ্ঠরা। সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েও তাদের অনেকে আমানত তুলছেন কিংবা হিসাব বন্ধ করছেন।

এদিকে, সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর অনেক এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ আংশিক কিংবা পুরো দিন বন্ধ পাওয়া যায়। এসব বুথের নিরাপত্তা প্রহরীরা জানান, বুথে টাকা নেই। এজন্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বন্ধ রাখা হয়েছে।

জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, ঘোষণা দিয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে কিংবা হিসাব বন্ধ করতে বললে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হবে। এজন্য দলের পক্ষ থেকে এই ধরনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে গ্রাহকের ইচ্ছের ওপর দল হস্তক্ষেপ করবে না।

এ ব্যাপারে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ রাতে স্ট্রিমকে বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার আইসা আবার ইসলামী ব্যাংকে ডাকাতি শুরু করছে। ডাকাতের পকেটে টাকা রাখবে কে? এই জন্য মানুষ টাকা উঠাচ্ছে, এখানে জামায়াতের কী করার?’

আমানত সরানোর বিষয়ে সাংগঠনিক নির্দেশ রয়েছে কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের আমির তো বলেছেনই– “‌আমরা একইসঙ্গে গ্রাহক ও পলিটিক্স করি”। এই কারণেই সরকার অন্যায় হস্তক্ষেপ করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব, সোচ্চার থাকব। এখন টাকা তোলা কী জামায়াতের সিদ্ধান্ত? টাকা তো জামায়াতের না, গ্রাহকের।’ ‘নিজের টাকা নিরাপত্তাহীন হলে তো তুলবেই। আপনি তুলবেন না’, প্রশ্ন রাখেন হামিদুর রহমান আযাদ।

সম্প্রতি খুরশীদ আলমকে বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরই প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। খুরশীদ আলমকে ব্যাংক কেলেঙ্কারির হোতা শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সমর্থক আখ্যা দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে অপসারণে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে প্রতিদিন আন্দোলন চলছে। আজও ইসলামী ব্যাংকে দুই ঘণ্টার কলম বিরতি কর্মসূচি হয়।

এরই মধ্যে গত পাঁচ কর্মদিবসে (১–৪ জুন এবং ৭ জুন) ইসলামী ব্যাংক থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ গ্রাহকরা তুলে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি স্বীকার করে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলতাফ হোসেন স্ট্রিমকে বলেছেন, ‘এখন গ্রাহকরা যে হারে অর্থ তুলছেন, তা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি।’

রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের বুথে ‘টাকা নেই’ কাগজে লিখে সেবা বন্ধ রেখেছে। মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়ের বুথও সোমবার দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিল। স্ট্রিম ছবি
রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের বুথে ‘টাকা নেই’ কাগজে লিখে সেবা বন্ধ রেখেছে। মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়ের বুথও সোমবার দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিল। স্ট্রিম ছবি

এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের ইসলামী ব্যাংকের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে। সংসদের দিনের কার্যসূচিতে জানানো হয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান দেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা এবং কোটি কোটি গ্রাহকের স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারসমূহ বৈধ ও প্রকৃত মালিকদের কাছে প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের অন্যায়, অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থে ৬৮ বিধিতে আলোচনা করবেন।

কলম বিরতি চলাকালে সোমবার ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ দেশের সব শাখায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা বন্ধ ছিল। এ সময় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া সাধারণ গ্রাহকদের দেখা যায়নি।

রাজধানীর মতিঝিল দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের এটিএম বুথও দুপুর পর্যন্ত বন্ধ পাওয়া যায়। মতিঝিল, পল্টন, কাকরাইল, গুলিস্তানসহ আশেপাশের বেশ কিছু এলাকা ঘুরেও একই চিত্র মেলে।

এ ব্যাপারে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’– এর সভাপতি নুর নবী মানিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘ব্যাংকে চেক দিলেও আমানতকারীরা টাকা পাচ্ছেন না; এটিএম বুথও বন্ধ। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসররা ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা পাচার করতে করতে অর্থ শূন্যের কোটায় নিয়ে যাচ্ছে।’ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে খুরশীদ আলমকে অপসারণ করা না হলে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

টাকা তোলার সঙ্গে হিড়িক হিসাব বন্ধের

সূত্র জানায়, পাঁচ কর্মদিবসে (১–৪ জুন এবং ৭ জুন) ইসলামী ব্যাংক থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ তোলা হলেও, শুধু রোববার উত্তোলন হয়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। এমডি আলতাফ হোসেনের মতে, এটি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে তিনি বলেন, এত বড় ব্যাংকে পাঁচ দিনে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা তোলা অস্বাভাবিক কিছু না। পরিমাণ বাড়লেও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। একই সময়ে হিসাব বন্ধের পরিমাণ বেড়েছে বলেও স্বীকার করেন আলতাফ হোসেন।

টাকা তুলে অনেকেই ফেসবুকে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। সোমবার মাকামে মাহমুদ লেখেন, ব্যাংকটিতে তাঁর যা টাকা আছে, তা তিনি সরিয়ে ফেলবেন। এই পোস্টে ইউসুফ আলীর মন্তব্য, আজ সব টাকা তিনি তুলে ফেলেছেন। ইউসুফ আলী নিজেও আরেক পোস্টে নতুন করে কোন ব্যাংকে হিসাব খোলা নিরাপদ, তা জানতে চেয়েছেন।

ফেসবুকে আসলাম সাইদী জামায়াতের অ্যাক্টিভিস্ট নামে পরিচিত। তিনিও নিরাপত্তা বিবেচনায় কোন ব্যাংকে আমানত স্থানান্তর করা যায়, পরামর্শ চেয়ে পোস্ট দিয়েছেন। ফেসবুকে জামায়াতের আরেক পরিচিত অ্যাক্টিভিস্ট আহমেদ আফগানি বিভিন্ন সময় ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’– এর কর্মসূচি সফল করার জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তিনিও সোমবার ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে কোথায় ব্যবহার করা নিরাপদ হবে, পরামর্শ দিয়েছেন। ফেসবুক ছড়িয়ে পড়া এমন পোস্টদাতাদের অনেকেই জামায়াত-শিবিরের সক্রিয় কর্মী।

সোমবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে টিবিএসের খবরের ফটোকার্ড শেয়ার দিয়ে জামায়াত নেতা নূর মোহাম্মদ লিখেছেন, এতদিন নিজের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক লেনদেন ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে করতাম। সোমবার থেকে ইসলামী ব্যাংকে সব লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছি। সব টাকা তুলে ফেলেছেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদে তিনি গুনাহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

নূর মোহাম্মদ ‘আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী সকলকে’ ইসলামী ব্যাংকে থাকা টাকা তুলে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘যারা এরপরও টাকা রাখবে, তাঁরা নিজ দায়িত্বে রাখুক।’

নূর মোহাম্মদের এই পোস্টের মূল বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। পোস্টে আবদুল গাফফার রিফাতের মন্তব্য, ইসলামী ব্যাংকের হিসাব বন্ধ করে দেবেন তিনি। আসাদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘অলরেডি অ্যাকাউন্ট ক্লোজ করে দিয়েছি।’ নূর মোহাম্মদের পোস্টে জামায়াতপন্থী ইসলামিক স্কলার আবদুস সালাম আজাদী মন্তব্য, ‘কী সুন্দরভাবে জামায়াতশূন্য করা গেল!’। পরে তিনি সোমবার রাত ৯টার দিকে ফেসবুকে কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে লেখেন, ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ’।

নূর মোহাম্মদের এই পোস্ট ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক শেয়ার হয়েছে। পোস্টটি শেয়ার করে ইসমাইল রাফি লিখেছেন, ‘বুদ্ধিমানদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট।’ আসাদুল্লাহ গালিব লেখেন, ‘এই মাস থেকে ইসলামী ব্যাংকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিছি।’

সচেতন গ্রাহক ফোরামে একাত্ম জামায়াত

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ সাত দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’। তাদের কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে সমর্থন দিচ্ছেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী।

রোববার (৭ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদ। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের মহাসচিব মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী। তিনি রাজধানীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। একইসঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় উলামা বিভাগীয় কমিটির সেক্রেটারি খলিলুর রহমান।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী। তিনি রাজধানীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী। তিনি রাজধানীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

একইভাবে সরাসরি ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’– এর কর্মসূচিতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে। জামায়াত আমির শফিকুর রহমান গত ৩ জুন রাতে রাজধানীর মিরপুরে একটি কনভেনশন সেন্টারে ঈদ পুনর্মিলনীতে বলেন, ইসলামী ব্যাংক উদ্ধারের জন্য বিরোধী দলের নেতাকর্মী মাঠে নামতে প্রস্তুত। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। একই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, ‘আমরা যেমন একটি দলের কর্মী, তেমনি ব্যাংকের গ্রাহকও।’

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বহুবিধ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে আগেই জামায়াত বিবৃতি দিয়েছে। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার গত ২৩ মে বিবৃতিতে ব্যাংকের বৈধ এমডিকে জোরপূর্বক পদচ্যুত করতে বাধ্য করা হচ্ছে জানিয়ে সরকারি হস্তক্ষেপের নিন্দা জানান। তিনি আরও জানান, সরকার ইসলামী ব্যাংকের ৩ কোটি আমানতকারী, ৮০ লাখ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীকে চরম হুমকির মধ্যে নিক্ষেপ করেছে।

জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা জামায়াত। এটি জামায়াতের ব্রেইন চাইল্ড প্রতিষ্ঠান। জামায়াত এই ব্যাংকের উদ্যোক্তা, জামায়াতের লোকদের পয়সায় এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত, জামায়াতের লোকরাই এখানে ডিপোজিটর সবচেয়ে বেশি। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জামায়াতই অর্গানাইজ করে নিয়ে আসছে। এখানে সরকার নগ্ন হস্তক্ষেপ করতেছে, মাফিয়া লুটেরারা হস্তগত করেছে, ফ্যাসিবাদীরা একবার, এখন এরাও (বিএনপি সরকার) ফ্যাসিবাদীদের আদলে এদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে। এজন্যই এটাকে টার্গেট করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যিনি টাকার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন, তিনি গ্রাহক হিসেবে টাকা উঠাবেন। নিরাপদ মনে না করলে টাকাটা অন্য কোথাও দিয়ে দেবেন– এটা তাঁর নিজস্ব স্বাধীনতা ও এখতিয়ার। আগে এক লাখ কোটি টাকা ডাকাতি হয়েছে, এটা জনগণের টাকা। জনগণের আবার আস্থা ফিরে আনার জন্য আমরা একটু কাজ করেছি। ২০২৩ সালে আস্থা হারিয়ে টাকা তোলার হিড়িক হইছে। ২০২৪ সালে একটু আস্থা এসেছে, তখনই এরকম একটি পরিস্থিতি হলো। ইদানিং ডিপোজিট বাড়ছে। কিন্তু এই সরকার আইসা আবার ডাকাতি শুরু করছে।’

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত