গবেষক ও অধ্যাপক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ

বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী ‘টাইম ম্যাগাজিন’-এ প্রচ্ছদে ঠাঁই করে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের দুই রাজনীতিক। ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল ছাপা হয়েছিল বিএনপির চেয়ারপার্সন ও জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি। আর ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর ছাপা হয়েছিল তিনবারের অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্র

গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হলো সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দলের উপস্থিতি, স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশে বিএনপির মাধ্যমে ‘সমন্বয়ের রাজনীতির’ নতুন ধারা চালু করেছিলেন।

‘নির্বাচনী রাজনীতিতে ধর্মীয় দলগুলো পিছিয়ে কেন’ শিরোনামটি প্রাসঙ্গিকভাবেই আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে টেনে নিয়ে যায়। তাই লেখাটি একটু পেছন থেকে শুরু করা যাক।

বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন তার পুরোটাই এসেছে ছাত্র-সিপাহী-জনতার মুষ্ঠিবদ্ধ ঐক্যে। দেশের প্রতিটি বিপর্যয়ে ওরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এ দেশকে রক্ষা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা সামরিক বাহিনী কখনো এই জাতির সঙ্গে বেইমানি করেনি।