স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে তিনবারের রানার্সআপ নেদারল্যান্ডস। দলে অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রতিভাবান তরুণদের সমন্বয় লক্ষ করা গেছে।
রক্ষণভাগে লিভারপুলের অভিজ্ঞ তারকা ও অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইকের সঙ্গে দেওয়াল তুলবেন ম্যানচেস্টার সিটির নাথান একে এবং টটেনহ্যামের মিকি ফ্যান ডি ফেন। ইন্টার মিলানের ডেনজেল ডামফ্রিস উইং-ব্যাকে গতির ঝড় তুলবেন। এছাড়া চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন আর্সেনালের জুরিয়েন টিম্বার।
দলের গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন বার্ট ভারব্রুগেন, মার্ক ফ্লেকেন ও রবিন রুফস।
ডাচদের মাঝমাঠে বড় ভরসা বার্সেলোনার তারকা ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে তার সঙ্গে জুটি বাঁধবেন লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্চ এবং জুভেন্টাসের তিউন কুপমেইনার্স। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটির তিয়ানি রেইন্ডার্স এবং আটালান্টার মার্টেন ডি রুন ডাচদের মাঝমাঠে শক্তি জোগাবেন।
আক্রমণে বরাবরের মতোই ডাচদের ভরসা মেমফিস ডিপাই এবং লিভারপুলের কোডি গাকপো।
২০২৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস লড়বে গ্রুপ ‘বি’-তে। ১৫ জুন জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২০ জুন সুইডেন এবং ২৬ জুন তিউনিসিয়ার মুখোমুখি হবে ডাচরা।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, অভিজ্ঞ ভ্যান ডাইকের নেতৃত্ব এবং মাঝমাঠে ডি ইয়ংয়ের সৃজনশীলতা ডাচদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘুচিয়ে প্রথম বিশ্ব শিরোপা এনে দিতে ভূমিকা রাখবে।
গোলরক্ষক: বার্ট ভারব্রুগেন, মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রুফস।
রক্ষণ: ভার্জিল ভ্যান ডাইক, নাথান একে, ডেনজেল ডামফ্রিস, মিকি ফ্যান ডি ফেন, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেকে, জোরেল হাটো।
মাঝমাঠ: ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, রায়ান গ্রাভেনবার্চ, তিউন কুপমেইনার্স, তিয়ানি রেইন্ডার্স, মার্টেন ডি রুন, কুইন্টেন টিম্বার, গুস টিল, ম্যাটস উইফার।
আক্রমণ: মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, ব্রায়ান ব্রবি, ডনিয়েল মালেন, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ক্রাইসেনসিও সামারভিল, ওয়াউট ভেগহোর্স্ট।

বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে তিনবারের রানার্সআপ নেদারল্যান্ডস। দলে অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রতিভাবান তরুণদের সমন্বয় লক্ষ করা গেছে।
রক্ষণভাগে লিভারপুলের অভিজ্ঞ তারকা ও অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইকের সঙ্গে দেওয়াল তুলবেন ম্যানচেস্টার সিটির নাথান একে এবং টটেনহ্যামের মিকি ফ্যান ডি ফেন। ইন্টার মিলানের ডেনজেল ডামফ্রিস উইং-ব্যাকে গতির ঝড় তুলবেন। এছাড়া চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন আর্সেনালের জুরিয়েন টিম্বার।
দলের গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন বার্ট ভারব্রুগেন, মার্ক ফ্লেকেন ও রবিন রুফস।
ডাচদের মাঝমাঠে বড় ভরসা বার্সেলোনার তারকা ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে তার সঙ্গে জুটি বাঁধবেন লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্চ এবং জুভেন্টাসের তিউন কুপমেইনার্স। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটির তিয়ানি রেইন্ডার্স এবং আটালান্টার মার্টেন ডি রুন ডাচদের মাঝমাঠে শক্তি জোগাবেন।
আক্রমণে বরাবরের মতোই ডাচদের ভরসা মেমফিস ডিপাই এবং লিভারপুলের কোডি গাকপো।
২০২৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস লড়বে গ্রুপ ‘বি’-তে। ১৫ জুন জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২০ জুন সুইডেন এবং ২৬ জুন তিউনিসিয়ার মুখোমুখি হবে ডাচরা।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, অভিজ্ঞ ভ্যান ডাইকের নেতৃত্ব এবং মাঝমাঠে ডি ইয়ংয়ের সৃজনশীলতা ডাচদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘুচিয়ে প্রথম বিশ্ব শিরোপা এনে দিতে ভূমিকা রাখবে।
গোলরক্ষক: বার্ট ভারব্রুগেন, মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রুফস।
রক্ষণ: ভার্জিল ভ্যান ডাইক, নাথান একে, ডেনজেল ডামফ্রিস, মিকি ফ্যান ডি ফেন, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেকে, জোরেল হাটো।
মাঝমাঠ: ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, রায়ান গ্রাভেনবার্চ, তিউন কুপমেইনার্স, তিয়ানি রেইন্ডার্স, মার্টেন ডি রুন, কুইন্টেন টিম্বার, গুস টিল, ম্যাটস উইফার।
আক্রমণ: মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, ব্রায়ান ব্রবি, ডনিয়েল মালেন, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ক্রাইসেনসিও সামারভিল, ওয়াউট ভেগহোর্স্ট।

গোলের সুযোগ তৈরিতে যারা সিদ্ধহস্ত, তাদের নিয়েও দর্শক ও সমালোচকদের আগ্রহের কমতি নেই। কেউ কেউ তো গোল করার চেয়ে গোলের সুযোগ তৈরিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান। গত এক যুগ ধরে এমন ফুটবলারদের আলাপ উঠলে কেভিন ডি ব্রুইনার নাম থাকে সবচেয়ে ওপরের দিকে।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পরাশক্তি হলেও বিশ্বকাপে বড় কোনো অর্জন নেই যুক্তরাষ্ট্রের। এবারের আসরে নিজেদের ১২তম বিশ্বকাপ অভিযানে নামবে তারা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম এই দলটি ফুটবল বিশ্বে স্টার্স অ্যান্ড স্ট্রাইপস নামে পরিচিত।
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে মরক্কো। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ এই দলে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন একঝাঁক তরুণ। গতবারের সেমিফাইনালিস্টরা এবার ব্রাহিম দিয়াজ ও আশরাফ হাকিমিদের ওপর ভরসা রাখছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলের নাম শুনলে চোখের সামনে ভাসে ড্রিবলিং আর সাম্বা নাচের ছন্দ। পেলে, জিকো, রোনালদিনহো থেকে হালের নেইমারের পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছে সমর্থক-সমালোচকরা। রাফিনহা সেই ঐতিহ্যের বাইরে নন। তার বড় শক্তি আধুনিক ফুটবলের কৌশলগত শৃঙ্খলা এবং প্রেসিং।
১ দিন আগে