স্ট্রিম সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন স্থানে ও মাথাভাঙ্গা নদী সেতুতে ‘কালেমা খচিত’ সাদা-কালো পতাকা উড়তে দেখা গেছে। কারা, কী উদ্দেশ্যে এসব পতাকা টাঙিয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য নেই পুলিশের কাছে।
রোববার (৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা শহরের মাথাভাঙ্গা নদী সেতুর ওপর ল্যাম্পপোস্টগুলোতে মোট ৩৮টি সাদা-কালো পতাকা টাঙানো হয়েছে। এছাড়া শহরের পুলিশ লাইন্স সড়কের ল্যাম্পপোস্টে এবং পৌর এলাকার ভিমরুল্লাসহ বিভিন্ন বসতবাড়ি ও মুদি দোকানের সামনে বাঁশের খুঁটিতে এ ধরনের পতাকা উড়তে দেখা গেছে।
মাথাভাঙ্গা সেতুর স্থানীয় চা ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন জানান, রোববার সকালে দোকানে এসে তিনি এই কালেমা লেখা পতাকাগুলো দেখতে পান। তাঁর ধারণা, এগুলো রাতের আঁধারে বা ভোরের দিকে টাঙানো হয়েছে।
তবে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো টাঙিয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য দিতে পারেননি স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম আজিজী স্ট্রিমকে বলেন, ‘পতাকা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। কালেমা খচিত পতাকা যত্রতত্র টাঙানো উচিত নয়। এগুলো ছিঁড়ে নিচে পড়ে গেলে কালেমার অসম্মান হয়। কারা বা কী উদ্দেশ্যে এসব করেছে আমার জানা নেই। তবে আমরা খোঁজখবর নেব এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’
শিক্ষক শাহজাহান আলী বিশ্বাস বলেন, ‘এই পতাকা যদি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিয়ে টাঙানো হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু কোনো সুবিধাবাদী মহল যদি এই পতাকা নিয়ে অপপ্রচার করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে প্রশাসনের তদারকি জোরদার করতে হবে।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিনহাজ-উল ইসলাম জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাদা-কালো পতাকা টাঙানোর খবর গণমাধ্যমে দেখা গেলেও চুয়াডাঙ্গায় এমন কিছু তাঁর চোখে পড়েনি। তিনি বলেন, ‘যদি জেলায় এ ধরনের পতাকা দেখা যায়, তবে কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো টাঙাচ্ছে তা খুঁজে বের করব। অনুসন্ধানে কিছু পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে।’

চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন স্থানে ও মাথাভাঙ্গা নদী সেতুতে ‘কালেমা খচিত’ সাদা-কালো পতাকা উড়তে দেখা গেছে। কারা, কী উদ্দেশ্যে এসব পতাকা টাঙিয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য নেই পুলিশের কাছে।
রোববার (৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা শহরের মাথাভাঙ্গা নদী সেতুর ওপর ল্যাম্পপোস্টগুলোতে মোট ৩৮টি সাদা-কালো পতাকা টাঙানো হয়েছে। এছাড়া শহরের পুলিশ লাইন্স সড়কের ল্যাম্পপোস্টে এবং পৌর এলাকার ভিমরুল্লাসহ বিভিন্ন বসতবাড়ি ও মুদি দোকানের সামনে বাঁশের খুঁটিতে এ ধরনের পতাকা উড়তে দেখা গেছে।
মাথাভাঙ্গা সেতুর স্থানীয় চা ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন জানান, রোববার সকালে দোকানে এসে তিনি এই কালেমা লেখা পতাকাগুলো দেখতে পান। তাঁর ধারণা, এগুলো রাতের আঁধারে বা ভোরের দিকে টাঙানো হয়েছে।
তবে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো টাঙিয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য দিতে পারেননি স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম আজিজী স্ট্রিমকে বলেন, ‘পতাকা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। কালেমা খচিত পতাকা যত্রতত্র টাঙানো উচিত নয়। এগুলো ছিঁড়ে নিচে পড়ে গেলে কালেমার অসম্মান হয়। কারা বা কী উদ্দেশ্যে এসব করেছে আমার জানা নেই। তবে আমরা খোঁজখবর নেব এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’
শিক্ষক শাহজাহান আলী বিশ্বাস বলেন, ‘এই পতাকা যদি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নিয়ে টাঙানো হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু কোনো সুবিধাবাদী মহল যদি এই পতাকা নিয়ে অপপ্রচার করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে প্রশাসনের তদারকি জোরদার করতে হবে।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিনহাজ-উল ইসলাম জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাদা-কালো পতাকা টাঙানোর খবর গণমাধ্যমে দেখা গেলেও চুয়াডাঙ্গায় এমন কিছু তাঁর চোখে পড়েনি। তিনি বলেন, ‘যদি জেলায় এ ধরনের পতাকা দেখা যায়, তবে কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো টাঙাচ্ছে তা খুঁজে বের করব। অনুসন্ধানে কিছু পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে।’
.png)

খুলনাভিত্তিক ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) প্রশিক্ষণ প্রধান শাহ আমানত সাবিরসহ (৩২) ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আজ রোববার (৫ জুলাই) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনটির প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবির নিজেও।
৩ ঘণ্টা আগে
বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে সোমবার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। তার আগে সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মরদেহ রাখা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশের ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। এসব কর্মকর্তার বেশির ভাগ ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলায় এসপির দায়িত্বে ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে