-33ba4d-480x270.webp)
নড়াইল সদর উপজেলার একটি আবাসিক মাদ্রাসায় সৈয়দ সুলায়মান ইসলাম (১২) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শিক্ষকের নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যুর অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত শিশুর পরিবার থেকে থানায় কোনো মামলা হয়নি। তবে তখন পর্যন্ত মাদ্রাসার শিক্ষক ইউসুফ হায়দার (৩৭), হাসিবুর রহমান (৩০) ও ফাহাদ শেখ (৩২) পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
সৈয়দ সুলায়মান জেলার সদর উপজেলার আউড়িয়া গ্রামের মারকাযুল কুরআন নড়াইল নামে মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী। সে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সৈয়দ ইকরামুল আলীর ছেলে।
পুলিশ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে অসুস্থ হয়ে পড়ে সুলায়মান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে শিক্ষার্থী সুলায়মানকে অসুস্থ অবস্থায় নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
শিশুর বাবা জানান, গতকাল সকালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ফোন করে সুলায়মান অসুস্থ হওয়ার কথা জানায়। পরে মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নির্যাতনের কারণেই ছেলেটি অসুস্থ হয়ে মারা গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নাজমুস সায়াদাৎ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক সুলায়মানকে কোনো ধরনের নির্যাতন করেননি।’ ময়নাতদন্তে নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেলে ও তাতে মাদ্রাসার কেউ জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী যে কোনো শাস্তি মেনে নেবেন বলে তিনি জানান।
নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার তিন শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।
.png)




-78ae87-256x144.webp)

