
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, গণভোটের পাশাপাশি পোস্টার ব্যালটের কারণে এবার ভোট গণনায় বেশি সময় লাগবে বলছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালট গোনার আগে পেরোতে হবে একাধিক ধাপ। তবে ইসির এ ব্যাখ্যায়ও ভোটের ফল নিয়ে সংশয় কাটছে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি মাত্র ৬ দিন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের শেষ মুহূর্তের কাজ গোছাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে। ভোটকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানো আগেই শেষ করেছে ইসি।

ভোটাররা বলছেন, এখানে ১০ প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে তিনজনের মধ্যে। তাদের মধ্যে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে যাঁর প্রতিশ্রুতি কার্যকর মনে হবে, তাঁকেই বেছে নেবেন ভোটাররা।

কাগজে-কলমে প্রার্থী ১৯৬ আসনে। বাস্তবে মাঠে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) হাতেগোনা কয়েকজন। তাও নেই কেউ আলোচনায়। ভোটাররা পর্যন্ত চেনেন না। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নির্বাচন ও সরকারের দীর্ঘদিনের ‘বিশ্বস্ত সঙ্গী’ জাতীয় পার্টি কার্যত ভোটে অদৃশ্য।

‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির অভিযোগের মাত্রাও তত বাড়ছে। একাধিকবার বৈঠক ও চিঠির মাধ্যমে তাঁরা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল এবং নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাঁদের এই অভিযোগ।

সাভার থানা স্ট্যান্ড সংলগ্ন সামসুদ্দিন মার্কেট। জুতার দোকানের সামনে লিফলেট দিচ্ছেন হাস্যোজ্জ্বল নারী। নিজের নাম উল্লেখ করে বলছেন, আমি এমপি পদপ্রার্থী। এই প্রথম এমন কেউ লিফলেট নিয়ে এলেন, নাকি?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির ৯ দিনের শুনানিতে ৪১৪ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেলেও, বাতিল হয়েছে দেড় শতাধিক প্রার্থী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে কয়েক লাখ কর্মী কাজের জীবিকার তাগিদে বিদেশে পাড়ি জমান। কিন্তু এর অধিকাংশই স্বল্প ও অদক্ষ কর্মী। তাই কর্মস্থলে তাঁরা নানান সমস্যার মুখে পড়েন। আবার বেতন-ভাতাদিতেও তাঁরা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মীদের চেয়ে পিছিয়ে থাকেন।