
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন

দীর্ঘ অচলায়তন ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পর অবশেষে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নানা সংকট, মতবিরোধ ও আস্থাহীনতার আবহ পেরিয়ে এই নির্বাচন ছিল রাষ্ট্র ও রাজনীতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত।

আজ আমরা ক্রীড়াঙ্গনের নানা সংকট নিয়ে কথা বলছি। আসলে বলছি না, বরং বলতে বাধ্য হচ্ছি। বিভিন্ন অনিয়ম ও কাঠামোগত দুর্বলতা আজ স্পষ্ট। পাশাপাশি দুর্বল প্রশাসন, রাজনৈতিক প্রভাব, পরিকল্পনার অভাব ইত্যাদি তো আছেই। এই দুরাবস্থা দেখে বর্তমান ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে বারবার ভেসে ওঠে কোকোর নাম।

প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সের সক্রেটিস, পেরিক্লিসরা যেভাবে মানুষকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় ঠিক সেভাবে বাংলাদেশে জিয়াউর রহমান মানুষকে জাগিয়ে সুসংবদ্ধ গণঐক্য গড়ে তুলেছিলেন।

গত দেড় দশকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নানা কারণে বিতর্কিত হয়েছে। নির্বাচন ও শাসন প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। জনগণ যথার্থই বুঝতে শুরু করেছে, এসব থেকে উত্তরণের অন্যতম উপায় হলো বিএনপির ক্ষমতায়ন।

গণতন্ত্রের পথে তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম, অবিচল মনোভাব, আপসহীন নেতৃত্ব এবং জনগণের প্রতি অকৃত্রিম দায়বদ্ধতা তাঁকে একজন পার্টি লিডার থেকে ‘ন্যাশনাল লিডার’ বা জাতীয় নেতায় রূপান্তরিত করেছে। তিনি বাংলাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার এক কেন্দ্রীয় চরিত্র, যিনি সংকটের মুহূর্তে রাজনীতিকে নতুন পথ দেখিয়েছেন।