বিশ্ব ইমোজি দিবসইমোজি কি নতুন দিনের বর্ণমালা, নাকি ‘রঙিন ভাইরাস’অফিসের বসকে একটা তথ্য জানাতে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করলাম। তিনি কিছু না বলে একটা ‘থাম্বস আপ’ বা লাইক ইমোজি পাঠালেন। ধরে নিলাম, তিনি কাজটি অনুমোদন করেছেন বা সম্মতি জানিয়েছেন। অথচ কিছুদিন আগে এই ‘লাইক’ পাঠানো নিয়েই একচোট ঝগড়া হয়ে গেল বরের সঙ্গে।১৭ জুলাই ২০২৬
যেভাবে চীনের ভাষা, সংস্কৃতি আর মানুষের প্রেমে পড়েছিলামগত দুই দশকে চীনা ভাষার ব্যবহারিক গুরুত্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চীন আজ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অংশীদার। দুই দেশের সহযোগিতা যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে চীনা ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন জনশক্তির চাহিদা। কর্মজীবনে আমি সেই চাহিদা পূরণে সামান্য হলেও ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি।১৭ জুলাই ২০২৬
‘ফার্মের মুরগি’ গালি হলো যেভাবেএকসময় দেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বাড়ির আঙিনায় দু-চারটি দেশি মুরগি পালন করা হতো। উদ্দেশ্য ছিল পরিবারের জন্য ডিম ও মাংসের জোগান। বাজারের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল খুবই সীমিত।১৪ জুলাই ২০২৬
মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণপ্রশ্ন করার যে উত্তরাধিকার রেখে গেছেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহশহীদুল্লাহ দেখেছিলেন বাঙালি জাতি নিজের ভাষার ইতিহাস অন্যের চোখে দেখতে অভ্যস্ত, নিজের ইতিহাসও অন্যের ভাষায় বলে ও লেখে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনি সেই প্রচলিত ধারাকে ভেঙেছিলেন। বাংলা ভাষাকে তাই শুধু গবেষণার বিষয় করেননি; তিনি একে গবেষণার ভাষাও করে তুলতে চেয়েছিলেন।১৩ জুলাই ২০২৬
গরুর হাটে গোট, জেন জি’র ভাষা বুঝতে হিমশিমনতুন প্রজন্মের ভাবনাকে ‘ভাষা বিকৃতি’ বলার সুযোগ নেই। বরং এটি নিয়ে আরও বোঝাপড়া দরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।২৬ মে ২০২৬
নিখিল বাংলা কালচারাল ওয়ার সার্কাসআপনার কি কখনো মনে হইছে বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতন একটা ঘটনা, যেটা বাংলাদেশের সব মানুষকে একছাতার নিচে এনেছিল, তার ঠিক দুই বছর পরে আমরা সবাই আর একছাতার নিচে নাই? বরং কয়েকটা ছাতার নিচে দাঁড়ায়ে বর্তমান বাংলাদেশ একটা ‘নিখিল বাংলা কালচারাল ওয়ার সমিতি’তে পরিণত হয়েছে।০২ মার্চ ২০২৬
ষষ্ঠ পর্বচর্যাপদ থেকে চব্বিশ: নতুন প্রজন্মের হাতে সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্ব১৯৫২ এর ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে শুরু হওয়া, চব্বিশের বর্ষা বিপ্লবের হাত ধরে সফলভাবে এগিয়ে গিয়ে ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে পৌঁছে যাওয়া, চুয়াত্তর বছরের বাংলা ভাষার এই অভিযাত্রা এবং প্রেক্ষাপট অনেকটাই ভিন্ন।২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চতুর্থ পর্বচর্যাপদ থেকে চব্বিশ: ভাষা, স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রগঠন—সফট পাওয়ার থেকে স্ট্র্যাটেজিক পাওয়ার১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলা ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যমই নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। গান, কবিতা, নাটক, সাহিত্য, ভাস্কর্য ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলা ভাষা জাতিকে মানসিকভাবে একত্রিত রাখে।২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তৃতীয় পর্বচর্যাপদ থেকে চব্বিশ: ভাষা যখন জাতীয় শক্তি১৯৫২ সাল পৃথিবীর সকল ভাষার ইতিহাসে একটি অগ্ন্যূৎপাত বা ভূমিকম্প। এখানে ভাষা কেবল সাহিত্য বা সংস্কৃতির বিষয় ছিল না, এ যেন ছিল রাষ্ট্রক্ষমতার বিরুদ্ধে বৈধতার এক পাহাড়সমান প্রশ্ন। মানুষ যখন মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দেয়, তখন ভাষা হয়ে যায় সার্বভৌমত্বের প্রতীক।২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দ্বিতীয় পর্বচর্যাপদ থেকে চব্বিশ: আলাওল থেকে আল মাহমুদ—ভাষাকেন্দ্রিক জাতীয় সাংস্কৃতিক শক্তিবাংলা ভাষার প্রাচীন থেকে নবীন সকল কবি সাহিত্যিক প্রমাণ করেছেন যে ভাষা হলো জাতির ভিতরের শক্তি যা মানুষের মধ্যে চিন্তা, অনুভূতি ও প্রতিরোধ জাগায়। এটি শুধুই সাহিত্যিক সৌন্দর্য নয়; ভাষা নিজেই একটি সাংস্কৃতিক অস্ত্র, যা জাতিকে অদৃশ্যভাবে সংযুক্ত রাখে।২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তোমাক ভালোবাসি ফেলচোম...হারিয়ে যাচ্ছে গাইবান্ধার এই আঞ্চলিক ভাষা‘যেদিন মুই তোমাক পতথম দেখচোম, সেইদিন থাইকেই মুই তোমাক ভালোবাসি ফেলচোম...’—গাইবান্ধার আঞ্চলিক ভাষার এমন মায়াবী আর আবেগময় প্রকাশ আজ আর আগের মতো শোনা যায় না। আধুনিকতা, শহরমুখী জীবনযাত্রা আর প্রমিত বাংলার প্রভাবে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে রংপুরি বা কামতাপুরি উপ-ভাষার এই স্বতন্ত্র রূপটি। সচেতন মহল মনে করছেন,২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬