leadT1ad

ভোলায় শ্রমিকদল ও যুবদলের ২ গ্রুপে সংঘর্ষ আহত ১৫

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ভোলা

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০০: ১২
সংঘর্ষে আহতদের কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শ্রমিক দল ও যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে সামনে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটনের সঙ্গে পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে হাসপাতালের সামনে যুবদলকর্মী গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার ও মিজানের বাকবিতণ্ডা ও মারামারি হয়। এ ঘটনার জেরে দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ও সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন মো. নোমান, আব্দুল গফুর, মিরাজ ও রুবেল। আল-আমীন নামের একজনের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তজুমদ্দিন থেকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন জানান, ২০১৭ সালে তৎকালিন আওয়ামী লীগের লোকজন তাঁর দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। তাকে মারধর করে। পরের বছর ২০১৮ সালে স্লুইসঘাটে সাবেক শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারে মার্কেটে একটি দোকানে ব্যবসা শুরু করেন। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে দায়ের মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় ওই দোকনের চাবি ঘর মালিক সবুজ তালুকদারের কাছে রেখে যান। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠায়। জেল থেকে এসে দেখেন সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। পরে ৫ আগস্টের পর তিনি পাওনা বুঝে নিতে গেলে স্থানীয় যুবদলকর্মী গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। গতকাল (৬ জানুয়ারি) সবুজ তালুদারকে ধরতে হাসপাতালের সামনে গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালায়।

যুবদলকর্মী গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ ও মারপিট করে। এ সময় সেখানকার বাজারের লোকজন তাঁদের প্রতিহত করতে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ তাদের গ্রুপের বেশ কয়েকজন আহত হয়।

তজুমদ্দিন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশান্ত মালো জানান, বিএনপি সমর্থিত লিটন ও জামাল দুই গ্রুপ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সহিংসতায় জড়িয়ে পরে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি।

Ad 300x250

সম্পর্কিত