জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, প্রথমে বিতরণ ১৪ ওয়ার্ডে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

ফ্যামিলি কার্ড। সংগৃহীত প্রতীকী ছবি

ঈদুল ফিতরের আগ দিয়ে আগামী ১০ মার্চ উদ্বোধন হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড সেবা। এজন্য ১৪টি উপজেলার ১৪টি ওয়ার্ড বাছাই করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ উপ-কমিটির সভা শেষে এই তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

বিএনপির বহুল প্রতিশ্রুত সেবা- ফ্যামিলি কার্ড। দলটির নির্বাচনী অঙ্গীকার এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা।

আজ এই কার্ড বিতরণ বিষয়ে সভা শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ উপ-কমিটির সুপারিশের আলোকে সভায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিংয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন প্রধানমন্ত্রী। এই কার্ড বিতরণের জন্য ১৪টি উপজেলাকে বাছাই করা হয়েছে। এসব উপজেলার একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে প্রথম ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এটি উদ্বোধন করবেন। একযোগে ওই দিন ১৪টি উপজেলায় এই কার্যক্রমের সূচনা হবে। পরে তা অব্যাহত থাকবে।’

ক্রমে এটি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘একটা সময় দেশের যারা হতদরিদ্র অথবা দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির যে মায়েরা আছেন, একটি পরিবারের যে মা প্রধান, তারা এটির সুবিধা পাবেন।’

এই কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিশ্বাস, ধর্ম-বর্ণ বিবেচনা করা হবে না জানিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘এটি হবে সার্বজনীন। পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। পরে প্রতিটি উপজেলাকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হয়তো প্রথমেই পুরো উপজেলা দিতে পারব না। হয়তো প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন, তারপর আরেকটি ইউনিয়ন—এভাবে আমরা গ্র্যাজুয়ালি (ক্রমান্বয়ে) এটাকে কভার করব। এভাবেই সারাদেশ এই সেবা পাবে।’

কীভাবে বাছাই করা হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘বাছাই করা হচ্ছে না। ইনফরমেশন কালেক্ট করা হচ্ছে। ডোর-টু-ডোর স্টেপস অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে কোনো বাছাই হবে না। বাছাই হবে ফিল্ড লেভেল থেকে। ইনফরমেশন কালেকশন করা হবে এবং কাউকে বাদ দেওয়া হবে না।’

এই কার্ড বিতরণে দলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই দাবি করেন মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে প্রোগ্রামটা রাজনৈতিক, কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে সরকার। প্রত্যেক ওয়ার্ডে কাজ তদারকির জন্য একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দ্বিস্তরবিশিষ্ট চেকিং এবং রি-চেকিং হবে, যাতে ভুল-ভ্রান্তি সবচেয়ে কম হয়।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত