প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় গত ছয় মাসে ১১০ জনের বেশি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে ছয় শতাধিক বাড়ি-ঘর, রাজনৈতিক কার্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

এ বছরের প্রথম ছয় মাসে কমপক্ষে ৫২৯টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। যাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৭৯ জন। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) মানবাধিকার পর্যবেক্ষণের ষাণ্মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭ জুলাই বিকেলের একটি সংবাদ বিবৃতিতে তাঁরা এ পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন স্থাপনা দখল করা নিয়ে ঘটেছে বেশির ভাগ সহিংসতা। ৫২৯টি সহিংসতার ঘটনার ৪৪৫টিই ঘটেছে বিএনপির অন্তঃকোন্দলে ও বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কোন্দলে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় গত ছয় মাসে ১১০ জনের বেশি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে ছয় শতাধিক বাড়ি-ঘর, রাজনৈতিক কার্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৪ জন বিএনপির, ১৭ জন আওয়ামী লীগের, ২ জন জামায়াতের, ১ জন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের। এছাড়া ৩ জন ইউপিডিএফের বলে রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া গেছে। দুইজন ব্যক্তির কোন রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি, তাঁদের মধ্যে একজন নারী।
প্রতিবেদনে জানা যায়, এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ওপর অন্তত ৭৬টি হামলা হয়েছে। সেসব হামলাতে নিহত হয়েছে ৫৭ জন, আহত শতাধিক।
গণপিটুনি বেড়েছে
সহিংসতার পাশাপাশি গণপিটুনি পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এইচআরএসএস। সংস্থাটির তথ্যমতে, প্রথম ৬ মাসে গণপিটুনির অন্তত ১৪১টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৬৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১১৯ জন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ উল্লেখ করে তারা বলেছে, এসময়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা থেকে শুরু করে মানসিক ভারসাম্যহীন ৫০ বছর বয়সী এক বয়স্ক ব্যক্তি, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জাকির হোসেন (৪১) নামে এক যুবলীগ কর্মী, চট্টগ্রামে জামাত কর্মীসহ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন দুই ইরানি নাগরিকও।
গত বছরের (২০২৪ সালের) মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করা এইচআরএসের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ২০২৪ সালের গণপিটুনির ২০১টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৭৩ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৮ জন।
গণ-অভ্যুত্থান ঘটে যাওয়ার পর গণপিটুনিতে ৪৩ জন নিহত হলে এই বিষয়টি প্রথম নজরে আসে।

এ বছরের প্রথম ছয় মাসে কমপক্ষে ৫২৯টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। যাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৭৯ জন। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) মানবাধিকার পর্যবেক্ষণের ষাণ্মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭ জুলাই বিকেলের একটি সংবাদ বিবৃতিতে তাঁরা এ পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন স্থাপনা দখল করা নিয়ে ঘটেছে বেশির ভাগ সহিংসতা। ৫২৯টি সহিংসতার ঘটনার ৪৪৫টিই ঘটেছে বিএনপির অন্তঃকোন্দলে ও বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কোন্দলে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় গত ছয় মাসে ১১০ জনের বেশি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে ছয় শতাধিক বাড়ি-ঘর, রাজনৈতিক কার্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৪ জন বিএনপির, ১৭ জন আওয়ামী লীগের, ২ জন জামায়াতের, ১ জন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের। এছাড়া ৩ জন ইউপিডিএফের বলে রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া গেছে। দুইজন ব্যক্তির কোন রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি, তাঁদের মধ্যে একজন নারী।
প্রতিবেদনে জানা যায়, এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ওপর অন্তত ৭৬টি হামলা হয়েছে। সেসব হামলাতে নিহত হয়েছে ৫৭ জন, আহত শতাধিক।
গণপিটুনি বেড়েছে
সহিংসতার পাশাপাশি গণপিটুনি পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এইচআরএসএস। সংস্থাটির তথ্যমতে, প্রথম ৬ মাসে গণপিটুনির অন্তত ১৪১টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৬৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১১৯ জন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ উল্লেখ করে তারা বলেছে, এসময়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা থেকে শুরু করে মানসিক ভারসাম্যহীন ৫০ বছর বয়সী এক বয়স্ক ব্যক্তি, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জাকির হোসেন (৪১) নামে এক যুবলীগ কর্মী, চট্টগ্রামে জামাত কর্মীসহ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন দুই ইরানি নাগরিকও।
গত বছরের (২০২৪ সালের) মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করা এইচআরএসের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ২০২৪ সালের গণপিটুনির ২০১টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৭৩ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৮ জন।
গণ-অভ্যুত্থান ঘটে যাওয়ার পর গণপিটুনিতে ৪৩ জন নিহত হলে এই বিষয়টি প্রথম নজরে আসে।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে