মিরহাজুল শিবলী

কয়েক ঘণ্টা পরই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট, অমোচনীয় কালিসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে সন্ধ্যার আগেই। রাতে চলছিল শেষ মুহূর্তের ছোটখাটো কাজ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে। সরেজমিনে ঢাকা-৭, ঢাকা-৮ ও ঢাকা-৯ আসনের অন্তত ২৫টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণে দেখা যায় এমন চিত্র।
বুধবার সন্ধ্যার দিকে দেখা যায়, ভোটগ্রহণের বেশিরভাগ প্রস্তুতিই সেরে ফেলেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। ব্যালট পেপার ও সরঞ্জামাদি সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে গোপন ভোটকক্ষ। বুথের বাইরে ভোটারদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করা হচ্ছে। প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের অবশিষ্ট প্রস্তুতি শেষ করছেন।

সব কেন্দ্রেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো উপস্থিতি দেখা গেছে। ফটকের পাশাপাশি অনেকেই ভেতরে অবস্থান করছিলেন। দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, রাত বাড়লে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
সেগুনবাগিচা হাইস্কুলে অবস্থিত ৯৩ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ বাদশা মিয়া স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। দুপুর আড়াইটায় প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জামগুলো হাতে পেয়েছি। বিকেল ৫টার মধ্যেই সব কক্ষের কাজ গুছিয়ে ফেলেছি। কিছু ছোটখাটো কাজ বাকি। আমাদের এই কেন্দ্রে মোট ৫টি কক্ষ এবং ৭টি বুথ রয়েছে। গোপন কক্ষসহ প্রতিটি বুথ ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’

কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রের পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো ও শান্তিপূর্ণ। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন। রাতের মধ্যেই বাইরের আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হয়ে যাবে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’
সরেজমিনে প্রায় সব ভোটকেন্দ্রের বাইরেই নির্দিষ্ট দূরত্বে প্রার্থীদের এজেন্টদের বুথ দেখা গেছে। তারাও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন।
খিলগাঁও মডেল স্কুলে ৭৪ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ‘নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ কেন্দ্রে ব্যাপক ভিড় থাকায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে বিকেল ৫টার মধ্যেই ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব মালপত্র কেন্দ্রে পৌঁছেছে। বর্তমানে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের জন্য বুথ তৈরি, কক্ষ বিন্যাস ও কক্ষ নম্বর অনুযায়ী সরঞ্জাম সাজানোর কাজ চলছে।’

ভোটের দিনের বাড়তি চাপ সামলাতে এবং সময় বাঁচাতে কর্মকর্তারা আগেভাগেই দাপ্তরিক কাজ বা পেপারওয়ার্ক গুছিয়ে রাখছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, ১২ প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের জন্য কার্ড তৈরি, বিভিন্ন ফরমে কেন্দ্রের নাম ও ভোটার সংখ্যা লিখে রাখা হচ্ছে, যাতে কাল সকালে এজেন্টরা আসার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া যায়।
জনগণের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে দেখা গেছে তুমুল উৎসাহ। বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া ভোটাররা আজকের রাতকে ঈদের আগের রাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
ঢাকা-৯-এর তরুণ ভোটার নিয়াজ নাফি স্ট্রিমকে বলেন, ‘এবারই প্রথম ভোট দিচ্ছি। সেটাও একেবারে সুষ্ঠু পরিবেশে। এমন নির্বাচনে ভোট দিতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। পরিবেশ এখন পর্যন্ত অনেক ভালো। সবার মধ্যে যে আনন্দ, মনে হচ্ছে আজ ঈদের চাঁদরাত।’

পুরান ঢাকার বাসিন্দা মাহফুজা ইয়াসমিন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ভোটকেন্দ্রে যাইনি। এবার সেই পর্ব শেষ হয়েছে। আশা করছি, একটি সুন্দর নির্বাচন দেখব। ক্ষমতায় যারাই আসুক, তারা যেন দেশটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলে।’
রাজধানী ঢাকার চিরাচরিত ট্রাফিক জ্যামের দেখা মেলেনি এদিন। দিনের বেলা সড়কে পথচারীদের আনাগোনা থাকলেও রাতে তা একদমই কমে আসে। ব্যক্তিগত যান চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তায় নেই গাড়ি ছিল না বললেই চলে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা দিয়েছিল আজ শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখতে। শপিংমল বন্ধ থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও কাঁচামালের কিছু দোকান খোলা দেখা গেছে।
এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট দেখা গেছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা গেছে। আর নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে কিছু রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে।

কয়েক ঘণ্টা পরই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট, অমোচনীয় কালিসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে সন্ধ্যার আগেই। রাতে চলছিল শেষ মুহূর্তের ছোটখাটো কাজ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে। সরেজমিনে ঢাকা-৭, ঢাকা-৮ ও ঢাকা-৯ আসনের অন্তত ২৫টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণে দেখা যায় এমন চিত্র।
বুধবার সন্ধ্যার দিকে দেখা যায়, ভোটগ্রহণের বেশিরভাগ প্রস্তুতিই সেরে ফেলেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। ব্যালট পেপার ও সরঞ্জামাদি সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে গোপন ভোটকক্ষ। বুথের বাইরে ভোটারদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করা হচ্ছে। প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের অবশিষ্ট প্রস্তুতি শেষ করছেন।

সব কেন্দ্রেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো উপস্থিতি দেখা গেছে। ফটকের পাশাপাশি অনেকেই ভেতরে অবস্থান করছিলেন। দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, রাত বাড়লে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
সেগুনবাগিচা হাইস্কুলে অবস্থিত ৯৩ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ বাদশা মিয়া স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। দুপুর আড়াইটায় প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জামগুলো হাতে পেয়েছি। বিকেল ৫টার মধ্যেই সব কক্ষের কাজ গুছিয়ে ফেলেছি। কিছু ছোটখাটো কাজ বাকি। আমাদের এই কেন্দ্রে মোট ৫টি কক্ষ এবং ৭টি বুথ রয়েছে। গোপন কক্ষসহ প্রতিটি বুথ ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’

কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রের পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো ও শান্তিপূর্ণ। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন। রাতের মধ্যেই বাইরের আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হয়ে যাবে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’
সরেজমিনে প্রায় সব ভোটকেন্দ্রের বাইরেই নির্দিষ্ট দূরত্বে প্রার্থীদের এজেন্টদের বুথ দেখা গেছে। তারাও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন।
খিলগাঁও মডেল স্কুলে ৭৪ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ‘নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ কেন্দ্রে ব্যাপক ভিড় থাকায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে বিকেল ৫টার মধ্যেই ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব মালপত্র কেন্দ্রে পৌঁছেছে। বর্তমানে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের জন্য বুথ তৈরি, কক্ষ বিন্যাস ও কক্ষ নম্বর অনুযায়ী সরঞ্জাম সাজানোর কাজ চলছে।’

ভোটের দিনের বাড়তি চাপ সামলাতে এবং সময় বাঁচাতে কর্মকর্তারা আগেভাগেই দাপ্তরিক কাজ বা পেপারওয়ার্ক গুছিয়ে রাখছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, ১২ প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের জন্য কার্ড তৈরি, বিভিন্ন ফরমে কেন্দ্রের নাম ও ভোটার সংখ্যা লিখে রাখা হচ্ছে, যাতে কাল সকালে এজেন্টরা আসার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া যায়।
জনগণের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে দেখা গেছে তুমুল উৎসাহ। বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া ভোটাররা আজকের রাতকে ঈদের আগের রাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
ঢাকা-৯-এর তরুণ ভোটার নিয়াজ নাফি স্ট্রিমকে বলেন, ‘এবারই প্রথম ভোট দিচ্ছি। সেটাও একেবারে সুষ্ঠু পরিবেশে। এমন নির্বাচনে ভোট দিতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। পরিবেশ এখন পর্যন্ত অনেক ভালো। সবার মধ্যে যে আনন্দ, মনে হচ্ছে আজ ঈদের চাঁদরাত।’

পুরান ঢাকার বাসিন্দা মাহফুজা ইয়াসমিন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ভোটকেন্দ্রে যাইনি। এবার সেই পর্ব শেষ হয়েছে। আশা করছি, একটি সুন্দর নির্বাচন দেখব। ক্ষমতায় যারাই আসুক, তারা যেন দেশটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলে।’
রাজধানী ঢাকার চিরাচরিত ট্রাফিক জ্যামের দেখা মেলেনি এদিন। দিনের বেলা সড়কে পথচারীদের আনাগোনা থাকলেও রাতে তা একদমই কমে আসে। ব্যক্তিগত যান চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তায় নেই গাড়ি ছিল না বললেই চলে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা দিয়েছিল আজ শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখতে। শপিংমল বন্ধ থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও কাঁচামালের কিছু দোকান খোলা দেখা গেছে।
এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট দেখা গেছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা গেছে। আর নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে কিছু রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার জেরে সারা দেশে প্রায় এক মাস ধরেই জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট চলছে। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে (পাম্প) ঝুলছে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরছেন গ্রাহকেরা।
৭ মিনিট আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) মামলায় সেনাবাহিনীর সাবেক দুই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার দেখানো (শোন অ্যারেস্ট) হয়েছে। আগামী ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
২৫ মিনিট আগে
লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরের গ্রিস উপকূলে ‘অনাহার ও রোগাক্রান্ত’ হয়ে অন্তত ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
সচিবালয়ে একাধিক দপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রবেশের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ দপ্তরে না গিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় আকস্মিকভাবে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
৩ ঘণ্টা আগে