স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহী শহরের বহরমপুর এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস। তবে আত-তাবারা মডেল হাসপাতালের লোকজন তাঁকে চেনেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে। বাদলে ফেলেছেন নামও। এখন তিনি ডা. মো. রফিকুল হাসান। নিজের নামের পাশে লিখতেন এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন) ও এফসিপিএস (নিউরো মেডিসিন) ডিগ্রি। মস্তিষ্ক (ব্রেন), মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), পক্ষাঘাতের (প্যারালাইসিস) মতো জটিল রোগের চিকিৎসা করতেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে জেলার বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার গোডাউন মোড়ে অবস্থিত আত-তাবারা মডেল হাসপাতালে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলে নুরুল ইসলাম। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে সেখানেই অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে এই চিকিৎসা-প্রতারককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাফিউল্লাহ নেওয়াজ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা তাঁকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে নুরুল ইসলাম কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
এদিকে অভিযানে আত-তাবারা মডেল হাসপাতালের মালিক মশিউর রহমানকেও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেনে-শুনে ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগ এবং রোগীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনের একটি নম্বর ব্যবহার করে নিজেকে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিতেন। আত-তাবারা মডেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে চেম্বার করতেন তিনি। হাসপাতালের ভেতরে ও চেম্বারের সাইনবোর্ডে লেখা এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন), এফসিপিএস (নিউরো মেডিসিন)।
এছাড়া তিনি কিশোরগঞ্জের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবেও উল্লেখ করা ছিল। সাইনবোর্ডে আরও উল্লেখ ছিল তিনি ব্রেইন, নার্ভ, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, স্পাইন ও মৃগী রোগের চিকিৎসা দেন। কিন্তু তদন্তে এ সব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বলে প্রমাণিত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, প্রতারক নুরুল ইসলাম ভবানীগঞ্জ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলঅ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সেভেন স্টার ক্লিনিকসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়মিত রোগী দেখতেন তিনি। তাঁর দেওয়া চিকিৎসা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ ছিল।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বলেন, ‘জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ভুয়া ডাক্তার, অননুমোদিত ক্লিনিক ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে।’

রাজশাহী শহরের বহরমপুর এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস। তবে আত-তাবারা মডেল হাসপাতালের লোকজন তাঁকে চেনেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে। বাদলে ফেলেছেন নামও। এখন তিনি ডা. মো. রফিকুল হাসান। নিজের নামের পাশে লিখতেন এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন) ও এফসিপিএস (নিউরো মেডিসিন) ডিগ্রি। মস্তিষ্ক (ব্রেন), মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), পক্ষাঘাতের (প্যারালাইসিস) মতো জটিল রোগের চিকিৎসা করতেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে জেলার বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার গোডাউন মোড়ে অবস্থিত আত-তাবারা মডেল হাসপাতালে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলে নুরুল ইসলাম। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে সেখানেই অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে এই চিকিৎসা-প্রতারককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাফিউল্লাহ নেওয়াজ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা তাঁকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে নুরুল ইসলাম কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
এদিকে অভিযানে আত-তাবারা মডেল হাসপাতালের মালিক মশিউর রহমানকেও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেনে-শুনে ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগ এবং রোগীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধনের একটি নম্বর ব্যবহার করে নিজেকে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিতেন। আত-তাবারা মডেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে চেম্বার করতেন তিনি। হাসপাতালের ভেতরে ও চেম্বারের সাইনবোর্ডে লেখা এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন), এফসিপিএস (নিউরো মেডিসিন)।
এছাড়া তিনি কিশোরগঞ্জের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবেও উল্লেখ করা ছিল। সাইনবোর্ডে আরও উল্লেখ ছিল তিনি ব্রেইন, নার্ভ, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, স্পাইন ও মৃগী রোগের চিকিৎসা দেন। কিন্তু তদন্তে এ সব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বলে প্রমাণিত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, প্রতারক নুরুল ইসলাম ভবানীগঞ্জ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলঅ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সেভেন স্টার ক্লিনিকসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়মিত রোগী দেখতেন তিনি। তাঁর দেওয়া চিকিৎসা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ ছিল।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বলেন, ‘জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ভুয়া ডাক্তার, অননুমোদিত ক্লিনিক ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে।’
.png)

চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন' শীর্ষক এই সেশন শুরু হয়।
৩৩ মিনিট আগে
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বনানীর একটি বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে সকালেই তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে এবার নারী-শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা (পুশইন) করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধায় তারা ঢুকতে পারেনি। বিএসএফও না নেওয়ায় দলটি সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
২ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে নওগাঁর বাজারে স্বর্ণা-৫ ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১ হাজার ২০০ টাকা দামে। তুলসিরামপুর গ্রামের কৃষক হামিদুর রহমান বলেন, ‘২২ মণ ধান বিক্রি করে পেয়েছি ২৬ হাজার ৬২০ টাকা। কিন্তু বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ পড়েছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। এত অল্প লাভে কিভাবে সংসার চালাবো, কিভাবে ফের আবাদ করবো?'
৩ ঘণ্টা আগে