স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ আখ্যা দেন।
বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, যখন ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট আসে, তখন আমরা বুঝতে পারি এই বাজেটটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে। এর মধ্যে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের) ঘাড়ে দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আয়ের ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ। আমরা যদি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দিকে তাকাই, তবে দেখব এপ্রিল পর্যন্ত ৩ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি এনবিআর আদায় করতে পারেনি। সেই এনবিআরকে যদি আমরা ৩ লাখের দ্বিগুণ ৬ লাখ কোটি টাকা আদায়ের দায় চাপিয়ে দিই, তবে এনবিআরের পক্ষে কীভাবে সেটি আদায় করা সম্ভব তা আমার মাথায় ঢোকে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট, এনবিআর যদি কর হিসেবে ৬ লাখ কোটি টাকা তুলতে না পারে, তবে সেই ঘাটতি আরও বাড়বে। আর ঘাটতি মেটানোর রাস্তা আছে মাত্র দুটি। এক হলো দেশের ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া, দুই হলো বিদেশ থেকে ঋণ বা অনুদান নেওয়া। দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর তাঁর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে ঘাটতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণও বাড়বে। আর সরকার যখন ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেয় মাননীয় স্পিকার, যাদের অর্থনীতির ব্যাপারে ন্যূনতম ধারণা আছে তারা সবাই বুঝতে পারবে যে তখন ব্যক্তি খাতে ঋণের পরিমাণ অটোমেটিক্যালি (স্বভাবতই) কমে যায়।’
ঋণখেলাপিদের সংসদ আখ্যা দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে বাংলাদেশে টোটাল (মোট) মন্দ ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে যদি আপনি অবলোপন, পুনঃতফসিল করা এবং মামলার কারণে যে ঋণের টাকাটা আদালতে আটকে আছে, অর্থাৎ পেন্ডিং (অমীমাংসিত) মামলা হিসেবে যেটা এখনও খাতায় তোলা হয়নি, সেই বড় অ্যামাউন্টটা (পরিমাণটি) যোগ করি, তবে এই পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১১ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সুতরাং ব্যাংকগুলো চাইলেও সরকারকে বেশি সহায়তা দিতে পারবে না। এর বাইরে আর থাকে টাকা ছাপানো বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া। সেটাকে আমরা হাই পাওয়ারড মানি (উচ্চ ক্ষমতার অর্থ) বলি মাননীয় স্পিকার, যা নরমাল (স্বাভাবিক) টাকার ৫ গুণ বেশি শক্তিশালী হিসেবে কাজ করে এবং বাজারে মূল্যস্ফীতিকে অটোমেটিক্যালি (স্বভাবতই) উসকে দেয়।’
তিনি বলেন, ‘যে দেশে সরকারি হিসাবে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ আর বেসরকারি হিসাবে সেটি সোয়া এক কোটির ওপরে, সেই রকম একটা দেশে যদি বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না পাওয়া যায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি না করা যায়, তবে কীভাবে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে তা আমি জানি না। সে কারণেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিকে জবলেস গ্রোথ (কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধি) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ আখ্যা দেন।
বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, যখন ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট আসে, তখন আমরা বুঝতে পারি এই বাজেটটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে। এর মধ্যে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের) ঘাড়ে দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আয়ের ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ। আমরা যদি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দিকে তাকাই, তবে দেখব এপ্রিল পর্যন্ত ৩ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি এনবিআর আদায় করতে পারেনি। সেই এনবিআরকে যদি আমরা ৩ লাখের দ্বিগুণ ৬ লাখ কোটি টাকা আদায়ের দায় চাপিয়ে দিই, তবে এনবিআরের পক্ষে কীভাবে সেটি আদায় করা সম্ভব তা আমার মাথায় ঢোকে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট, এনবিআর যদি কর হিসেবে ৬ লাখ কোটি টাকা তুলতে না পারে, তবে সেই ঘাটতি আরও বাড়বে। আর ঘাটতি মেটানোর রাস্তা আছে মাত্র দুটি। এক হলো দেশের ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া, দুই হলো বিদেশ থেকে ঋণ বা অনুদান নেওয়া। দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর তাঁর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে ঘাটতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণও বাড়বে। আর সরকার যখন ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেয় মাননীয় স্পিকার, যাদের অর্থনীতির ব্যাপারে ন্যূনতম ধারণা আছে তারা সবাই বুঝতে পারবে যে তখন ব্যক্তি খাতে ঋণের পরিমাণ অটোমেটিক্যালি (স্বভাবতই) কমে যায়।’
ঋণখেলাপিদের সংসদ আখ্যা দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে বাংলাদেশে টোটাল (মোট) মন্দ ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে যদি আপনি অবলোপন, পুনঃতফসিল করা এবং মামলার কারণে যে ঋণের টাকাটা আদালতে আটকে আছে, অর্থাৎ পেন্ডিং (অমীমাংসিত) মামলা হিসেবে যেটা এখনও খাতায় তোলা হয়নি, সেই বড় অ্যামাউন্টটা (পরিমাণটি) যোগ করি, তবে এই পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১১ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সুতরাং ব্যাংকগুলো চাইলেও সরকারকে বেশি সহায়তা দিতে পারবে না। এর বাইরে আর থাকে টাকা ছাপানো বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া। সেটাকে আমরা হাই পাওয়ারড মানি (উচ্চ ক্ষমতার অর্থ) বলি মাননীয় স্পিকার, যা নরমাল (স্বাভাবিক) টাকার ৫ গুণ বেশি শক্তিশালী হিসেবে কাজ করে এবং বাজারে মূল্যস্ফীতিকে অটোমেটিক্যালি (স্বভাবতই) উসকে দেয়।’
তিনি বলেন, ‘যে দেশে সরকারি হিসাবে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ আর বেসরকারি হিসাবে সেটি সোয়া এক কোটির ওপরে, সেই রকম একটা দেশে যদি বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না পাওয়া যায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি না করা যায়, তবে কীভাবে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে তা আমি জানি না। সে কারণেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিকে জবলেস গ্রোথ (কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধি) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলে দেওয়া সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া) করার দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট এবং এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটের কর্মউপযোগিতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ই-নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের ৩টি ডেগ সিলগালা করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাজারে দানবাক্স বসানো হয়েছে। মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে এই ডেগ সিলাগালা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দানবাক্স স্থাপন করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে