স্ট্রিম প্রতিবেদক

নাগরিক আস্থা ছাড়া কোনো ডিজিটাল সেবা বা উদ্যোগ টেকসই হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যেব। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল উদ্যোক্তারাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ।
শুক্রবার খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা বিভাগের চার জেলার নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের নিয়ে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নাগরিক সেবা দিতে গিয়ে যে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তা রক্ষা করা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি আমানত। এই তথ্যের অপব্যবহার কিংবা সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।
সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেন, সরকার চায় নাগরিকরা যেন সরকারি সেবার জন্য দপ্তরে ঘুরে হয়রানির শিকার না হন। এ জন্য সব সরকারি সেবাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার মাধ্যমে একটি ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সময়, খরচ ও শ্রমঘণ্টা সাশ্রয় করবে। বর্তমানে ১২টি মন্ত্রণালয় এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সরকারের প্রায় এক হাজার সেবা এখানে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিজিটাল রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে সাইবার সুরক্ষা, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এসব আইন নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—তিন পক্ষের জন্যই নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
গণভোট ও সংস্কার প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হলে ভবিষ্যতে আবার স্বৈরতন্ত্রের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও উদ্যোক্তা-বান্ধব বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে সংস্কারের পক্ষে সচেতন হতে হবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। তিনি বলেন, ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহা. আব্দুর রফিক বলেন, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষিত করে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে তা সমাধানে এটুআই সব সময় পাশে থাকবে। তবে নির্ধারিত সেবাপ্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেবার মান ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাও উদ্যোক্তাদের দায়িত্ব।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে এবং খুলনা জেলা প্রশাসন ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ৫০০ জন নির্বাচিত উদ্যোক্তা অংশ নেন। তারা সেবা কেন্দ্র পরিচালনা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, এটুআই-এর হেড অব প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, সিনিয়র কনসালটেন্ট ও উপসচিব ফজলুল জাহিদ পাভেল, চিফ টেকনোলজি এডভাইজার মাসুদুর রহমান, হেড অব কমিউনিকেশন্স মোহাম্মদ সফিউল আযম এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. নবীর উদ্দীন।

নাগরিক আস্থা ছাড়া কোনো ডিজিটাল সেবা বা উদ্যোগ টেকসই হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যেব। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল উদ্যোক্তারাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ।
শুক্রবার খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা বিভাগের চার জেলার নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের নিয়ে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নাগরিক সেবা দিতে গিয়ে যে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তা রক্ষা করা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি আমানত। এই তথ্যের অপব্যবহার কিংবা সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।
সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেন, সরকার চায় নাগরিকরা যেন সরকারি সেবার জন্য দপ্তরে ঘুরে হয়রানির শিকার না হন। এ জন্য সব সরকারি সেবাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার মাধ্যমে একটি ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সময়, খরচ ও শ্রমঘণ্টা সাশ্রয় করবে। বর্তমানে ১২টি মন্ত্রণালয় এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সরকারের প্রায় এক হাজার সেবা এখানে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিজিটাল রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে সাইবার সুরক্ষা, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এসব আইন নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—তিন পক্ষের জন্যই নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
গণভোট ও সংস্কার প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হলে ভবিষ্যতে আবার স্বৈরতন্ত্রের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও উদ্যোক্তা-বান্ধব বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে সংস্কারের পক্ষে সচেতন হতে হবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। তিনি বলেন, ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহা. আব্দুর রফিক বলেন, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষিত করে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে তা সমাধানে এটুআই সব সময় পাশে থাকবে। তবে নির্ধারিত সেবাপ্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেবার মান ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাও উদ্যোক্তাদের দায়িত্ব।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে এবং খুলনা জেলা প্রশাসন ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ৫০০ জন নির্বাচিত উদ্যোক্তা অংশ নেন। তারা সেবা কেন্দ্র পরিচালনা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, এটুআই-এর হেড অব প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, সিনিয়র কনসালটেন্ট ও উপসচিব ফজলুল জাহিদ পাভেল, চিফ টেকনোলজি এডভাইজার মাসুদুর রহমান, হেড অব কমিউনিকেশন্স মোহাম্মদ সফিউল আযম এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. নবীর উদ্দীন।

শেরপুরে শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে শাহীনুল ইসলাম (৪৩) নামে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
সরকার ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এতে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়েছে সাঁতাও। সেরা অভিনেতা আফরান নিশো এবং সেরা অভিনেত্রী হিসেবে আইনুন নাহার পুতুল জায়গা করে নিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সাংবাদিক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ডিজিটাল পদ্ধতিতে না গিয়ে কমিশন আগের মতো ম্যানুয়ালি নিবন্ধন করবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক প্রার্থীদের সমর্থনে সাতটি আসনে নিজেদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর প্রতীক প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।
১০ ঘণ্টা আগে