স্ট্রিম প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট দুই দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার ও শনিবার বন্দরকেন্দ্রিক সব ধরনের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা আন্দোলন পরিষদ’ এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, আলোচনার প্রেক্ষিতে সাময়িকভাবে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে দাবি আদায়ে তাঁরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বিরোধিতায় শ্রমিকরা এই আন্দোলন শুরু করেন। ওই প্রস্তাব বাতিলসহ একাধিক দাবিতে তাঁরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভে নামেন।
বৈঠক শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, বন্দর কার্যক্রম বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার কারো নেই। তিনি জানান, দেশের অর্থনীতির জন্য বন্দর সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে উড়োজাহাজের জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানিতে বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম।
উপদেষ্টা বন্দর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে তিনি বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে বন্দরকেন্দ্রিক কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার ঘটনা ঘটলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
আন্দোলনকারীরা জানান, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা আপাতত আন্দোলন স্থগিত করতে সম্মত হয়েছেন। তবে দুই দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আবারও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা আন্দোলন পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁদের প্রধান দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ধর্মঘট পুনরায় শুরু হবে। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে বন্দর চেয়ারম্যানের অপসারণ এবং এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল।
উল্লেখ্য, গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দেশের প্রায় ৯১ শতাংশ রপ্তানি এই বন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়। ধর্মঘটের কারণে বহির্নোঙরে একাধিক জাহাজ আটকে থাকে। পণ্য খালাস না হওয়ায় জাহাজগুলো নোঙরেই অবস্থান করে। পাশাপাশি ১৯টি অফডক থেকে কনটেইনার পরিবহন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বন্দর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ধাপে ধাপে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সৃষ্ট এই নজিরবিহীন সংকট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ীরা। ডিসিসিআই ও বিজিএমইএসহ দেশের শীর্ষ ১০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান।

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট দুই দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার ও শনিবার বন্দরকেন্দ্রিক সব ধরনের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা আন্দোলন পরিষদ’ এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, আলোচনার প্রেক্ষিতে সাময়িকভাবে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে দাবি আদায়ে তাঁরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বিরোধিতায় শ্রমিকরা এই আন্দোলন শুরু করেন। ওই প্রস্তাব বাতিলসহ একাধিক দাবিতে তাঁরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভে নামেন।
বৈঠক শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, বন্দর কার্যক্রম বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার কারো নেই। তিনি জানান, দেশের অর্থনীতির জন্য বন্দর সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে উড়োজাহাজের জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানিতে বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম।
উপদেষ্টা বন্দর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে তিনি বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে বন্দরকেন্দ্রিক কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার ঘটনা ঘটলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
আন্দোলনকারীরা জানান, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা আপাতত আন্দোলন স্থগিত করতে সম্মত হয়েছেন। তবে দুই দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আবারও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা আন্দোলন পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁদের প্রধান দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ধর্মঘট পুনরায় শুরু হবে। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে বন্দর চেয়ারম্যানের অপসারণ এবং এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল।
উল্লেখ্য, গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দেশের প্রায় ৯১ শতাংশ রপ্তানি এই বন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়। ধর্মঘটের কারণে বহির্নোঙরে একাধিক জাহাজ আটকে থাকে। পণ্য খালাস না হওয়ায় জাহাজগুলো নোঙরেই অবস্থান করে। পাশাপাশি ১৯টি অফডক থেকে কনটেইনার পরিবহন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বন্দর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ধাপে ধাপে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সৃষ্ট এই নজিরবিহীন সংকট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ীরা। ডিসিসিআই ও বিজিএমইএসহ দেশের শীর্ষ ১০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও, বৃষ্টি ও গাড়ি নষ্টের অজুহাতে পুলিশ তাদের ধরছে না–ভুক্তভোগীদের এমন অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রকাশ্যে থাকা আসামিদের গ্রেপ্তারে সাত দিনের সময় বেধে দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
১ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ভূমিধস জয় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন কৌশলগত সমীকরণ তৈরি করেছে। তিস্তা ও গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় অমীমাংসিত ইস্যুতে এখন দুই দেশের নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সত্যের সঙ্গে থাকতে সাংবাদিকদের অনেক সময় ক্ষমতাধরদের বিরুদ্ধে লিখতে হয়। প্রশাসনের চক্ষুশূলে পরিণত হতে হয়। এজন্য সাংবাদিকের স্থায়ী কোনো বন্ধু থাকে না। তবে ভয়ে থেমে থাকলে চলবে না। সত্য প্রকাশে সব জয় করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় বাস ও অটোরিকশার মাঝে চাপা পড়ে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নামে এক পানি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে উত্তরা আব্দুল্লাহপুর মাছের আড়তের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে