স্ট্রিম প্রতিবেদক

শুরুর দিকের গুজব ও টিকা দেওয়ার ধীরগতি কাটিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সার্বজনীন টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) টিকাদান অভিযান পরিচালনা করেছে সরকার। টার্গেট শিশুদের মধ্যে ৯৭ শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ইউনিসেফ এই সাফল্যকে টাইফয়েড প্রতিরোধে 'জাতীয় অগ্রগতি' হিসেবে দেখছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) জানায়, ১২ অক্টোবর শুরু হওয়া এই অভিযান এক মাসের বেশি সময় চলেছে এবং দেশের প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ শিশুর মধ্যে ৪ কোটি ২৫ লাখের শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুল, মাদ্রাসা ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টিকা পায়। পরে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশু এমন কি স্কুলের বাইরে থাকা শিশুরাও ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ করে।
ইপিআই কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী টিসিভির মোট টার্গেট ছিল ৪ কোটি৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ৬ শ ৭৯ শিশু। এর মধ্যে ৪ কোটি ২৫ লাখ ১৫ হাজার ৬ শ ৮২ শিশুকে এই এক ডোজের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ টিকা প্রয়োগ করেছে (টার্গেটের ১০০.১৯%)। আর সবচেয়ে কম হার ছিল ঢাকা বিভাগে (৯০.৯১%)।
ইপিআই-এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কমিউনিকেশন) ডা. রাজিব সরকার ঢাকা স্ট্রিমকে বলেন, প্রতিটি দেশ বা প্রতিটি টিকাদান অভিযানের জন্য একই রকম 'স্ট্যান্ডার্ড টিকাদান হার' প্রযোজ্য নয়। রোগের ধরন, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা, সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট—এসবের ওপর নির্ভর করে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সাধারণত ৮০ শতাংশ বা তার বেশি টিকাদান নিশ্চিত করতে চায়, যাতে সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী হেরড ইমিউনিটি তৈরি হয়।
ডা. রাজিব সরকার বলেন, 'শুরুতে গুজব ও ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিয়ে বিভ্রান্তি থাকায় টিকাদান কিছুটা ধীরগতিতে চলছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে অভিভাবকদের আস্থা বেড়েছে এবং অংশগ্রহণ দ্রুত বাড়তে থাকে। সত্যি বলতে, আমরা এত উচ্চ কভারেজ আশা করিনি।'
কর্মকর্তারা জানান, স্কুলভিত্তিক টিকাদান (শিক্ষার্থীদের জন্য) এবং কমিউনিটি পর্যায়ে তৎপরতা (ড্রপআউট বা স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য) মিলিয়ে 'জ্যাকপট কৌশল' হিসেবে কাজ করেছে।
বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত বিবৃতিতে এ অর্জনকে 'অসাধারণ' বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, 'টিসিভি ক্যাম্পেইন ২০২৫-এ বাংলাদেশ ৯৭ শতাংশের বেশি কভারেজ অর্জন করেছে, যা ৪২ দশমিক ৫ মিলিয়ন শিশুকে সুরক্ষা দিয়েছে।'
মিডিয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং গণযোগাযোগ প্রচারণার মাধ্যমে ১২ কোটির বেশি মানুষের কাছে শিশুবান্ধব বার্তা পৌঁছানো সম্ভব হয়।
রানা ফ্লাওয়ার্স আরও বলেন, 'হাওর, উপকূল, পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চল, চা-বাগান, যাযাবর জনগোষ্ঠী, কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী, যৌনকর্মীদের সন্তান—সবার কাছে টিকা পৌঁছানো হয়েছে। শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই ৪ লাখ ২৪ হাজারের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।'
বিশ্বের অষ্টম দেশ হিসেবে এত বড় পরিসরে টিসিভি ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে অন্যতম উচ্চ কভারেজ অর্জন করেছে—যা দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় মাইলফলক।

শুরুর দিকের গুজব ও টিকা দেওয়ার ধীরগতি কাটিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সার্বজনীন টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) টিকাদান অভিযান পরিচালনা করেছে সরকার। টার্গেট শিশুদের মধ্যে ৯৭ শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ইউনিসেফ এই সাফল্যকে টাইফয়েড প্রতিরোধে 'জাতীয় অগ্রগতি' হিসেবে দেখছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) জানায়, ১২ অক্টোবর শুরু হওয়া এই অভিযান এক মাসের বেশি সময় চলেছে এবং দেশের প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ শিশুর মধ্যে ৪ কোটি ২৫ লাখের শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুল, মাদ্রাসা ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টিকা পায়। পরে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশু এমন কি স্কুলের বাইরে থাকা শিশুরাও ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ করে।
ইপিআই কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী টিসিভির মোট টার্গেট ছিল ৪ কোটি৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ৬ শ ৭৯ শিশু। এর মধ্যে ৪ কোটি ২৫ লাখ ১৫ হাজার ৬ শ ৮২ শিশুকে এই এক ডোজের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ টিকা প্রয়োগ করেছে (টার্গেটের ১০০.১৯%)। আর সবচেয়ে কম হার ছিল ঢাকা বিভাগে (৯০.৯১%)।
ইপিআই-এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কমিউনিকেশন) ডা. রাজিব সরকার ঢাকা স্ট্রিমকে বলেন, প্রতিটি দেশ বা প্রতিটি টিকাদান অভিযানের জন্য একই রকম 'স্ট্যান্ডার্ড টিকাদান হার' প্রযোজ্য নয়। রোগের ধরন, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা, সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট—এসবের ওপর নির্ভর করে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সাধারণত ৮০ শতাংশ বা তার বেশি টিকাদান নিশ্চিত করতে চায়, যাতে সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী হেরড ইমিউনিটি তৈরি হয়।
ডা. রাজিব সরকার বলেন, 'শুরুতে গুজব ও ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিয়ে বিভ্রান্তি থাকায় টিকাদান কিছুটা ধীরগতিতে চলছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে অভিভাবকদের আস্থা বেড়েছে এবং অংশগ্রহণ দ্রুত বাড়তে থাকে। সত্যি বলতে, আমরা এত উচ্চ কভারেজ আশা করিনি।'
কর্মকর্তারা জানান, স্কুলভিত্তিক টিকাদান (শিক্ষার্থীদের জন্য) এবং কমিউনিটি পর্যায়ে তৎপরতা (ড্রপআউট বা স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য) মিলিয়ে 'জ্যাকপট কৌশল' হিসেবে কাজ করেছে।
বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত বিবৃতিতে এ অর্জনকে 'অসাধারণ' বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, 'টিসিভি ক্যাম্পেইন ২০২৫-এ বাংলাদেশ ৯৭ শতাংশের বেশি কভারেজ অর্জন করেছে, যা ৪২ দশমিক ৫ মিলিয়ন শিশুকে সুরক্ষা দিয়েছে।'
মিডিয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং গণযোগাযোগ প্রচারণার মাধ্যমে ১২ কোটির বেশি মানুষের কাছে শিশুবান্ধব বার্তা পৌঁছানো সম্ভব হয়।
রানা ফ্লাওয়ার্স আরও বলেন, 'হাওর, উপকূল, পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চল, চা-বাগান, যাযাবর জনগোষ্ঠী, কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী, যৌনকর্মীদের সন্তান—সবার কাছে টিকা পৌঁছানো হয়েছে। শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই ৪ লাখ ২৪ হাজারের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।'
বিশ্বের অষ্টম দেশ হিসেবে এত বড় পরিসরে টিসিভি ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে অন্যতম উচ্চ কভারেজ অর্জন করেছে—যা দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় মাইলফলক।

সরকার ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এতে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়েছে সাঁতাও। সেরা অভিনেতা আফরান নিশো এবং সেরা অভিনেত্রী হিসেবে আইনুন নাহার পুতুল জায়গা করে নিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সাংবাদিক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ডিজিটাল পদ্ধতিতে না গিয়ে কমিশন আগের মতো ম্যানুয়ালি নিবন্ধন করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক প্রার্থীদের সমর্থনে সাতটি আসনে নিজেদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর প্রতীক প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
গণভোটের বিষয়গুলো অনুমোদন পেলে রাজনৈতিক দলগুলো জনতার প্রশ্নের মুখে পড়বে এবং সংস্কারের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুরাতন বন্দোবস্তে ভাঙন, সংস্কার এবং গণতন্ত্রের পুনর্ভাবনা: ক্রান্তিকালে দুঃসহ পথচলা’
৬ ঘণ্টা আগে