স্ট্রিম প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে হুমকিতে পড়া খাদ্য নিরাপত্তা এবং জ্বালানিসহ অন্যান্য খাতে সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলারের বেশি জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। দুটি প্রকল্পের আওতায় আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই অর্থ দেওয়া হবে।
শনিবার (২৭ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র কৃষক, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর।
বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে ধান উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবারগুলোর জীবিকা ও কর্মসংস্থান রক্ষা করা এবং জরুরি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই বিশ্বব্যাংকের লক্ষ্য।
তিনি জানান, সহায়তার অর্থের মধ্যে ৩০ কোটি ডলার দেওয়া হবে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্টে’। এই অর্থ চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর পর্যন্ত আমন এবং অক্টোবর থেকে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে ব্যয় হবে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশই আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই হবে ইউরিয়া। এসব সার ব্যবহার করে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ধান চাষ সম্ভব হবে, যা মূলত ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎপাদনে সহায়তা করবে।
প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার ও বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট সুলেমানে কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকে। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষও কৃষিখাতে কর্মরত। ফলে সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে শুধু খাদ্য নিরাপত্তা নয়, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতিও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
বাকি ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার ব্যয়ে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে দ্রুত নগদ সহায়তা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জীবিকা পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি, পানি সরবরাহসহ জরুরি সেবা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট ও প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুত এই অর্থ ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এতে প্রয়োজনীয় খাতে দ্রুত সম্পদ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে। মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের ওপর বাহ্যিক চাপ কমানো সম্ভব হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে হুমকিতে পড়া খাদ্য নিরাপত্তা এবং জ্বালানিসহ অন্যান্য খাতে সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলারের বেশি জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। দুটি প্রকল্পের আওতায় আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই অর্থ দেওয়া হবে।
শনিবার (২৭ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র কৃষক, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর।
বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে ধান উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবারগুলোর জীবিকা ও কর্মসংস্থান রক্ষা করা এবং জরুরি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই বিশ্বব্যাংকের লক্ষ্য।
তিনি জানান, সহায়তার অর্থের মধ্যে ৩০ কোটি ডলার দেওয়া হবে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্টে’। এই অর্থ চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর পর্যন্ত আমন এবং অক্টোবর থেকে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে ব্যয় হবে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশই আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই হবে ইউরিয়া। এসব সার ব্যবহার করে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ধান চাষ সম্ভব হবে, যা মূলত ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎপাদনে সহায়তা করবে।
প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার ও বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট সুলেমানে কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকে। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষও কৃষিখাতে কর্মরত। ফলে সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে শুধু খাদ্য নিরাপত্তা নয়, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতিও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
বাকি ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার ব্যয়ে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে দ্রুত নগদ সহায়তা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জীবিকা পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি, পানি সরবরাহসহ জরুরি সেবা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন করা হবে।
বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট ও প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুত এই অর্থ ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এতে প্রয়োজনীয় খাতে দ্রুত সম্পদ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে। মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের ওপর বাহ্যিক চাপ কমানো সম্ভব হবে।
.png)

কর ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে পরোক্ষ করের বোঝা কমিয়ে প্রত্যক্ষ করের পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীতে সিপিডির ‘জাতীয় বাজেটে কর ন্যায্যতা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা দেশের কর ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
২ দিন আগে
দেশীয় রপ্তানি শিল্পকে সহায়তায় আমদানিকৃত কাঁচামালে বন্ড বা শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় সরকার। তবে এই সুবিধার অপব্যবহার রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিলেও মাঠপর্যায়ে বড় অঙ্কের আমদানির প্রাপ্যতা অনুমোদনের চিত্র দেখা গেছে।
২ দিন আগে
বিগত সরকারের প্রায় ১ হাজার ৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় আর্থিক দায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সেমিনারে এই কথা বলেন তিনি।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা কার্যকরে দ্রুত অগ্রগতির আহ্বান জানিয়েছে বিটিএমএ।
৩ দিন আগে